ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আগামীকাল সন্ধ্যা ৭টা থেকে ক্যাম্পাসের সব প্রবেশদ্বারে নিরাপত্তা বাড়াবে, ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠানসূচি অনুযায়ী। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক রিলেশনস অফিসের প্রকাশ্য নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, এই ব্যবস্থা শিবিরের শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছে।
প্রবেশদ্বারগুলোতে অতিরিক্ত রক্ষী ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে, এবং গেটের কর্মীরা প্রবেশের সময় কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন। নিরাপত্তা কর্মীরা সকল গাড়ি ও পায়ে চলা ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করবেন, যাতে অননুমোদিত প্রবেশ রোধ করা যায়।
ক্যাম্পাসে বাসস্থানরত শিক্ষার্থী ও কর্মীদেরকে সন্ধ্যা ৭টার আগে নিজ নিজ ডরমিটরি বা কোটে ফিরে আসতে অনুরোধ করা হয়েছে। এই নির্দেশনা মেনে না চললে নিরাপত্তা কর্মীরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার রাখবেন।
অত্যাবশ্যকী কাজের জন্য যদি কেউ সন্ধ্যা ৭টার পরে ক্যাম্পাসে প্রবেশের প্রয়োজন হয়, তবে তাকে বৈধ নিরাপত্তা পাস এবং পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে। পাস ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
ভাষা শহীদ দিবসের অংশ হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬:৩০ টায় একটি নীরব শোভাযাত্রা এবং প্রভাত ফেরি অনুষ্ঠিত হবে। এই শোভাযাত্রা ‘স্মৃতি চিরন্তন’ প্রাঙ্গণে, উপাচার্যের বাসার সামনে থেকে শুরু হবে।
যাত্রার নেতৃত্ব দেবেন উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান, যিনি শোভাযাত্রার প্রথম পদক্ষেপ নেবেন। অংশগ্রহণকারীরা উদয়ন স্কুলের পাশ দিয়ে নির্ধারিত পথে অগ্রসর হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পর্যন্ত পৌঁছাবেন।
ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এই অনুষ্ঠানগুলো দেশের ভাষা সংরক্ষণের গুরুত্বকে পুনর্ব্যক্ত করে। ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও শোভাযাত্রা উভয়ই এই ঐতিহাসিক দিনকে সম্মান জানাতে পরিকল্পিত।
ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটি ব্যবহারিক পরামর্শ: যদি জরুরি কাজের জন্য সন্ধ্যা পরে ক্যাম্পাসে যেতে হয়, তবে আগে থেকেই নিরাপত্তা পাস ও পরিচয়পত্র প্রস্তুত রাখুন এবং গেটের কর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতা করুন। এভাবে সময়মতো কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে এবং নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন এড়ানো যাবে।
আপনার ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে কী মতামত? মন্তব্যে জানান, যাতে সবাই একসাথে নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশ গড়ে তুলতে পারে।



