টি‑২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্যায়ের শেষ ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের মুখোমুখি হওয়ার আগে, ভারত ক্রিকেট দলকে প্রতিনিধিত্বকারী অভিষেক শর্মা টি‑২০ র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে ছিলেন। হালনাগাদ র্যাঙ্কিংয়ে তিনি শীর্ষ ব্যাটসম্যানের তালিকায় ছিলেন এবং তার স্ট্রাইক রেট ১৯২.৪৩% ছিল, যা টি‑২০ ওপেনারদের মধ্যে ৩০ টির বেশি ইনিংসে সর্বোচ্চ। তবে একই টুর্নামেন্টে তিনটি ম্যাচের পরও তিনি কোনো রান সংগ্রহ করতে পারেননি, ফলে শূন্য‑রানে আউটের হ্যাটট্রিকের শিকার হয়েছেন।
এই শূন্য‑রান আউটের ধারাবাহিকতা তাকে আন্তর্জাতিক টি‑২০ ওপেনারদের মধ্যে এক বছরে সর্বাধিক শূন্য‑রান আউটের তালিকায় স্থান দিয়েছে। বর্তমানে এই রেকর্ডটি পাকিস্তান ক্রিকেট দল থেকে সাইম আইয়ুবের দখলে, যিনি গত বছর ২৫ ইনিংসে ওপেন করে ছয়বার শূন্য‑রানে আউট হয়েছিলেন। সাইমের রেকর্ড এক বছরের মধ্যে ওপেনারদের মধ্যে সর্বোচ্চ শূন্য‑রান আউটের হিসাব হিসেবে স্বীকৃত।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল থেকে পারভেজ হোসেনেরও অনুরূপ পরিসংখ্যান রয়েছে। গত বছর তিনি ২১ ইনিংসে পাঁচবার শূন্য‑রানে আউট হয়েছিলেন। অন্যদিকে, এই বছর অভিষেক শর্মা মাত্র আটটি ইনিংসে পাঁচবার শূন্য‑রানে আউট হয়েছেন, যা তাকে সাইমের রেকর্ড অতিক্রমের পথে রাখে, কারণ এই মৌসুমে এখনও দশ মাসের বেশি সময় বাকি রয়েছে।
অভিষেকের পাশাপাশি তিনজন ওপেনারও একই সংখ্যক শূন্য‑রান আউটের শিরোপা ভাগ করে নিয়েছেন: নেপালের কুশল ভুরতেল, থাইল্যান্ডের চালোমেং চ্যাটফিয়াসন এবং ইন্দোনেশিয়ার ধর্ম কেশুমা। প্রত্যেকেই এই বছর পাঁচটি ইনিংসে শূন্য‑রানে আউট হয়েছেন, ফলে ওপেনারদের মধ্যে শূন্য‑রান আউটের শীর্ষ তালিকায় সমান অবস্থানে রয়েছেন।
সকল পজিশনের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এক বছরের সর্বোচ্চ শূন্য‑রান আউটের রেকর্ড তিনজন খেলোয়াড় ভাগ করে নিয়েছেন: রুয়ান্ডার জ্যাপি বিমিয়েনইয়ামিনা, অর্চাইড তুয়েসিঙ্গে এবং পাকিস্তান ক্রিকেট দল থেকে সাইম আইয়ুব। প্রত্যেকেই এক বছরে সাতবার শূন্য‑রানে আউট হয়েছেন, যা টেস্ট খেলোয়াড়দের মধ্যে সর্বোচ্চ রেকর্ড হিসেবে স্বীকৃত।
সাইমের এই রেকর্ডটি টেস্ট খেলোয়াড়দের মধ্যে সর্বোচ্চ শূন্য‑রান আউটের রেকর্ডের শিরোপা দখল করেছে। অভিষেক শর্মা এই পরিসংখ্যানের দিকে নজর দিয়ে জানিয়েছেন যে রেকর্ডটি তাকে চোখ রাঙিয়ে ডাকছে এবং তিনি শীঘ্রই রূপান্তর ঘটাতে চান।
অভিষেকের শূন্য‑রান আউটের ধারাবাহিকতা টি‑২০ বিশ্বকাপের সূচনার আগে প্রকাশিত হয়েছে, ফলে তার পারফরম্যান্স নিয়ে বিশ্লেষক ও ভক্তদের মধ্যে আলোচনা বাড়ছে। যদিও তিনি র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে আছেন, তবু বাস্তব ম্যাচে রান না করতে পারা তার ভবিষ্যৎ পারফরম্যান্সের ওপর প্রশ্ন তুলেছে।
সুপার এইটের ম্যাচ শিডিউল সম্পর্কেও তথ্য প্রকাশিত হয়েছে; কোন দল কোন দলের বিপক্ষে কখন খেলবে তা ১২ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত জানানো হয়। এই সময়সূচি টুর্নামেন্টের অগ্রগতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং দলগুলোকে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির সুযোগ দেয়।
সারসংক্ষেপে, অভিষেক শর্মা এবং পারভেজ হোসেনের শূন্য‑রান আউটের পরিসংখ্যান টি‑২০ ওপেনারদের মধ্যে অপ্রত্যাশিত সমতা তৈরি করেছে। সাইম আইয়ুবের রেকর্ড এখনও শীর্ষে থাকলেও, অভিষেকের বর্তমান ফর্ম এবং শূন্য‑রান আউটের সংখ্যা তাকে দ্রুত অগ্রগতি করার সুযোগ দিচ্ছে। টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচে এই দুই খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স কেমন হবে তা ক্রিকেট ভক্তদের জন্য বড় প্রশ্ন রয়ে গেছে।



