থাইল্যান্ডের পাতায়য়া শহরে ২১ ফেব্রুয়ারি একটি বিশেষ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। প্রিয়াঙ্ক শর্মা ও শাজা মরানির কন্যা এক বছর পূর্ণ করতে যাচ্ছে এবং তার জন্মদিন উদযাপনের জন্য পরিবারিক সদস্যরা ইয়টে সমবেত হবে। এই অনুষ্ঠানে শ্রীমতি পাদ্মিনী কলহাপুরে, তার স্বামী টুটু শর্মা, এবং কলহাপুরে-শর্মা-মরানি পরিবার থেকে বেশ কয়েকজন অন্তর্ভুক্ত।
প্রিয়াঙ্কের মা পাদ্মিনী কলহাপুরে ও বাবা টুটু শর্মা ইতিমধ্যে থাইল্যান্ডে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পাদ্মিনীর বোন শিভাঞ্জি কলহাপুরে ও তার পরিবারও সঙ্গে থাকবে; শিভাঞ্জির কন্যা শ্রদ্ধা কাপুর, পুত্র সিধান্ত কাপুর এবং শিভাঞ্জির স্বামী এই সফরে অংশ নেবে। তাছাড়া তেজস্বিনী কলহাপুরে, শাজা মরানির পিতা করিম মরানি, মা জারা মরানি এবং বোন জোয়া মরানিও উপস্থিতির পরিকল্পনা করেছেন।
টুটু শর্মা রাত্রি ভোরে থাইল্যান্ডের পথে রওনা হওয়ার কথা জানিয়েছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে জন্মদিনের অনুষ্ঠানটি পাতায়য়া ইয়টে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন যে বেশিরভাগ পরিবার সদস্য চার দিন থাইল্যান্ডে থাকবে, কিছুজনের পরিকল্পনা রয়েছে আরও কয়েক দিন বাড়িয়ে রাখার।
প্রিয়াঙ্ক শর্মা ও শাজা মরানির বিবাহ ২০২১ সালের মার্চে মালদ্বীপে একটি খ্রিস্টীয় শৈলীর অনুষ্ঠান হিসেবে সম্পন্ন হয়েছিল। দুই বছর পর এই বিশেষ দিনটি পরিবারিক সমাবেশের মাধ্যমে উদযাপন করা হচ্ছে, যা উভয় পরিবারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন।
টুটু শর্মা সম্প্রতি সিটারা নামের মাল্টিপ্লেক্স চেইনের মাধ্যমে এক্সিবিশন সেক্টরে প্রবেশ করেছেন। সিটারা প্রথম থিয়েটার ১০ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মহারাষ্ট্রের অম্বাজোগাইতে উদ্বোধন করা হয়। এই বছর আরও কয়েকটি থিয়েটার খোলার পরিকল্পনা রয়েছে এবং সামাজিক মিডিয়ায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী সাম্প্রতিক চলচ্চিত্র “ছায়া” পূর্ণ হাউস শোয় চলছে।
শ্রদ্ধা কাপুরের ক্যারিয়ারেও নতুন সাফল্য যোগ হয়েছে। ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত “স্ট্রি ২” চলচ্চিত্রটি বোলিভুডের সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে, যা “জাওয়ান” সহ অন্যান্য হিট ফিল্মকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। এই সাফল্য তার জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে এবং পরিবারিক সমাবেশে তার উপস্থিতি অতিরিক্ত আলো যোগ করবে।
এই সমাবেশের মূল উদ্দেশ্য হল ছোট্ট মেয়ের প্রথম জন্মদিনকে স্মরণীয় করে তোলা এবং পরিবারিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করা। থাইল্যান্ডের সমুদ্রতটে ইয়টে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানটি উভয় পরিবারের জন্য একটি রোমাঞ্চকর এবং আনন্দময় অভিজ্ঞতা হবে। সকল সদস্যের উপস্থিতি ও উচ্ছ্বাস এই বিশেষ দিনকে আরও উজ্জ্বল করে তুলবে।
সমাবেশের সময়সূচি অনুযায়ী, পরিবারিক সদস্যরা থাইল্যান্ডে পৌঁছে ৪ দিনের জন্য বিভিন্ন পর্যটন ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশ নেবে। কিছু সদস্যের পরিকল্পনা রয়েছে থাইল্যান্ডের অন্যান্য পর্যটনস্থলে ভ্রমণ করার, যা তাদের পারিবারিক বন্ধনকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
এই ধরনের উচ্চপ্রোফাইল পারিবারিক উদযাপন বোলিভুডের গ্ল্যামার জগতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এবং মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তবে মূল ফোকাস রয়ে গেছে ছোট্ট মেয়ের প্রথম জন্মদিনের আনন্দে, যা পরিবারিক ঐক্য ও ভালোবাসার প্রতীক।



