22 C
Dhaka
Thursday, February 19, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের পরিকল্পনা ঘোষণা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের পরিকল্পনা ঘোষণা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার রাত ১০টার কাছাকাছি জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে জানালেন, বাংলাদেশ সরকার সারাদেশে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকীকরণে পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। লক্ষ্য হলো মানুষকে নিজের জেলায় বা ঘরে বসে সঠিক সময়ে অফিস, আদালত ও ব্যবসা‑বাণিজ্য পরিচালনা করতে সক্ষম করা।

ঢাকা ও অন্যান্য বিভাগীয় শহরে যানজটের মাত্রা দিন দিন বেড়ে চলেছে, বিশেষ করে রাজধানীর রাস্তাগুলোতে গাড়ি‑বাহন চলাচল প্রায় নিয়ন্ত্রণহীন। হাট‑বাজার, মাঠ‑ঘাটে এবং সরকারি দফতরে নাগরিকদের ভোগান্তি কমাতে রেল‑সেবা বিস্তারের প্রয়োজনীয়তা সরকার জোর দিয়ে বলছে।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, নগর কেন্দ্রের ওপর জনসংখ্যার চাপ কমাতে বিকল্প পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। রেল‑নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দূরবর্তী জেলায় বসবাসকারী মানুষকে দ্রুত ও নিরাপদে শহরের সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হবে, ফলে দৈনন্দিন যাতায়াতের সময় ও খরচে উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় হবে।

এই পরিকল্পনার মূল দিক হিসেবে রেল, নৌ‑সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পুনর্বিন্যাস ও সমন্বয় করা হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো একত্রে কাজ করে রেল‑লাইন সম্প্রসারণ, নতুন স্টেশন নির্মাণ এবং বিদ্যমান রুটের আধুনিকীকরণে অগ্রাধিকার দেবে।

সরকারের মতে, রেল যোগাযোগের সহজ‑সুলভ ও নিরাপদ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ফলে শহর‑নগরকেন্দ্রিক নির্ভরতা কমবে এবং পরিবেশগত দৃষ্টিকোণ থেকে বায়ু দূষণ হ্রাস পাবে। এছাড়া, রেল‑সেবা উন্নয়নের মাধ্যমে আঞ্চলিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তারেক রহমানের বক্তব্যে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “সারাদেশে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজলভ্য ও নিরাপদ করা হলে একদিকে জনগণের শহর‑নগরকেন্দ্রিক নির্ভরতা কমবে, অপরদিকে পরিবেশেরও উন্নতি হবে।” এই মন্তব্যে রেল‑সেবার সামাজিক ও পরিবেশগত প্রভাবকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিপক্ষের কিছু রাজনৈতিক দল রেল‑প্রকল্পের বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও সময়সীমা মেনে চলার দাবি জানিয়েছে। তারা জোর দিয়ে বলেছেন, রেল‑নেটওয়ার্কের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং প্রকল্পের অগ্রগতি জনসাধারণের কাছে প্রকাশ করা দরকার, যাতে জনগণের আস্থা বজায় থাকে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, রেল‑সেবার বিস্তার সরকারকে ভোটারদের কাছে উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ হিসেবে উপস্থাপন করার সুযোগ দেবে। বিশেষ করে গ্রামীণ ভোটারদের সুবিধা বৃদ্ধি পেলে আসন্ন নির্বাচনে সরকারী সুনাম উন্নত হতে পারে।

এই ঘোষণার আগে সরকার রেল‑কমিউনিকেশন সিস্টেমের উন্নয়ন সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেছিল, যা দেশের অবকাঠামো উন্নয়নের ধারাবাহিকতা নির্দেশ করে। পূর্বে মেট্রো রেল সেবার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নও জনসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

প্রকল্পের সূচনা ২০২৬ সালের শেষের দিকে হতে পারে, তবে নির্দিষ্ট রুট ও স্টেশন চিহ্নিত করার কাজ এখনই শুরু হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো পরিকল্পনা প্রণয়নে বিশেষজ্ঞ দল গঠন করেছে এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থেকে শিখে রেল‑সেবার মানোন্নয়ন করবে।

সারসংক্ষেপে, সরকার রেল‑কমিউনিকেশন ব্যবস্থা আধুনিকীকরণে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে ট্রাফিক জ্যাম কমানো, পরিবেশ রক্ষা এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে চায়। এই পদক্ষেপের সফলতা দেশের অবকাঠামো নীতির দিকনির্দেশনা ও রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments