22 C
Dhaka
Thursday, February 19, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধকুরিগ্রামের মিলনী বাজারে অজানা আলোযুক্ত বস্তু রেকর্ড, পুলিশ ও বর্ডার গার্ড তদন্তে

কুরিগ্রামের মিলনী বাজারে অজানা আলোযুক্ত বস্তু রেকর্ড, পুলিশ ও বর্ডার গার্ড তদন্তে

গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতের শেষভাগে কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারীর বলদিয়া ইউনিয়নের মিলনী বাজারে অবস্থিত আলাদিন ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড হার্ডওয়্যার দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরা অজানা আলোযুক্ত একটি বস্তু চলাচলরত রেকর্ড করে। ক্যামেরায় দেখা বস্তুটি কুকুরের আকারের মতো দেখায় এবং আলো জ্বলে থাকা অবস্থায় চলছিল, ফলে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্কের সঞ্চার ঘটে।

দোকানের মালিক রোকনুজ্জামান জানান, তিনি মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে সিসিটিভি ফুটেজ পুনরায় দেখছিলেন এবং অস্বাভাবিক দৃশ্যটি লক্ষ্য করেন। প্রথমে তিনি এটি পরিচিতদের দেখিয়ে কোনো ব্যাখ্যা পেতে পারেননি, এরপর স্থানীয় থানার কর্মকর্তাদের দেখালেও তারা স্পষ্ট কোনো মন্তব্য করতে পারেননি। পরবর্তীতে তিনি একই ফুটেজ ফেসবুকে পোস্ট করেন, যেখানে তা দ্রুত শেয়ার হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দা জহুরুল ইসলাম বলেন, সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হওয়া দৃশ্যটি দেখার পর এলাকাবাসীর মধ্যে ভয় ও উদ্বেগের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই অজানা বস্তুটি কী এবং কীভাবে এখানে উপস্থিত হয়েছে তা জানার জন্য দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সময়ে একজন অটোরিকশা চালকও রাতের বেলা আলো জ্বলে থাকা অদ্ভুত কোনো বস্তু দেখার কথা জানান। তিনি তা দেখার পর তৎক্ষণাৎ গাড়ি চালিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

কচাকাটা থানা থেকে ওসিআই সোয়েল রানা জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে সিসিটিভি ফুটেজের বিশ্লেষণ শুরু করা হয়েছে। তিনি যোগ করেন, সার্কেল এএসপি এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) এর সিও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক তদন্তে সহায়তা করছেন। বর্তমানে ফুটেজে ধারণ হওয়া বস্তুটির প্রকৃতি ও উৎস নির্ধারণের কাজ চলমান, তবে এখনো পর্যন্ত কোনো নিশ্চিত ফলাফল পাওয়া যায়নি।

পুলিশ ও বর্ডার গার্ডের যৌথ তদন্তে স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি বিষয়টি স্পষ্ট করে যে, সীমান্তবর্তী এলাকায় অপ্রত্যাশিত ঘটনার ক্ষেত্রে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তদন্তকর্তারা উল্লেখ করেন, সিসিটিভি রেকর্ডিংয়ের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের বিবরণ সংগ্রহ করা হচ্ছে, যাতে ঘটনার পটভূমি ও সম্ভাব্য কারণ নির্ণয় করা যায়।

অধিকাংশ বিশ্লেষক ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞের মতে, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে রাতের বেলা আলো জ্বলে থাকা অস্বাভাবিক বস্তু দেখা অস্বাভাবিক নয়; তবে সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া তা সম্পর্কে অনুমান করা কঠিন। বর্তমানে কর্তৃপক্ষের প্রধান লক্ষ্য হল, রেকর্ড করা ফুটেজের প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় সম্ভাব্য কোনো অবৈধ কার্যক্রমের অনুসন্ধান।

স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলি একত্রে কাজ করে, ভবিষ্যতে এমন ধরনের ঘটনা পুনরায় ঘটতে না পারে তা নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং রাতের সময় আলোর ব্যবস্থাপনা উন্নত করার পরিকল্পনা বিবেচনা করছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অবধি, সিসিটিভি রেকর্ডে দেখা অজানা আলোযুক্ত বস্তুটি কী এবং কেন সেখানে উপস্থিত হয়েছে তা নিয়ে তদন্ত চলমান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো নতুন তথ্য প্রকাশিত হলে তা জনসাধারণের সঙ্গে শেয়ার করা হবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments