22 C
Dhaka
Thursday, February 19, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিকিরেন রিজিজু রাহুল গান্ধীকে দেশের নিরাপত্তার সর্বোচ্চ হুমকি হিসেবে চিহ্নিত

কিরেন রিজিজু রাহুল গান্ধীকে দেশের নিরাপত্তার সর্বোচ্চ হুমকি হিসেবে চিহ্নিত

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু ১৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে অনুষ্ঠিত সংসদীয় সেশনের পরে রাহুল গান্ধীকে ভারতের নিরাপত্তার জন্য “সবচেয়ে বিপজ্জনক ব্যক্তি” বলে অভিহিত করেন। তিনি রাহুলের সঙ্গে ভারতবিরোধী গোষ্ঠীর সংযোগ, মাওবাদী ও উগ্রপন্থী সংগঠনের সাক্ষাৎকে নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন।

এই মন্তব্যটি কংগ্রেস‑বিজেপি পারস্পরিক বিরোধের তীব্রতা বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে করা হয়। সাম্প্রতিক সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দল ও শাসক দলের মধ্যে তীব্র বিতর্কের ধারাবাহিকতায় রিজিজু এই বক্তব্য দেন, যা রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন উত্তেজনা যোগ করেছে।

রিজিজু রাহুলকে দেশের নিরাপত্তার সর্বোচ্চ হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করার পাশাপাশি উল্লেখ করেন, রাহুলের যোগাযোগের তালিকায় ভারতবিরোধী শক্তি, মাওবাদী গোষ্ঠী এবং অন্যান্য উগ্রপন্থী সংগঠন অন্তর্ভুক্ত। তিনি এসব সংযোগকে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা কাঠামোর জন্য গুরুতর উদ্বেগের কারণ হিসেবে তুলে ধরেন।

মন্ত্রীর মতে, রাহুলের এই ধরনের সংযোগ পূর্বে কোনো বিরোধী নেতার মধ্যে দেখা যায়নি। তিনি বলছেন, “ভারতে এমন বিরোধী নেতা আগে দেখা যায়নি,” যা রাহুলের রাজনৈতিক আচরণকে অতীতের তুলনায় আলাদা করে তুলেছে।

সংসদীয় সেশনের সময় রিজিজু উল্লেখ করেন, পার্লামেন্টে হট্টগোল স্বাভাবিক, কারণ প্রতিটি দল নিজস্ব এজেন্ডা নিয়ে কাজ করে। তিনি বলেন, এই হট্টগোলকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যর্থতা হিসেবে গণ্য করা যায় না, তবে হট্টগোলের পাশাপাশি দলের আচরণও পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।

রিজিজু রাহুলের আচরণকে তার রাজনৈতিক অবস্থানের তুলনায় “শিশুসুলভ ও দায়িত্বহীন” বলে সমালোচনা করেন। তিনি রাহুলের কিছু কাজকে অপ্রয়োজনীয় নাটকীয়তা হিসেবে উল্লেখ করেন, যা সংসদীয় প্রক্রিয়ার গৌরবকে ক্ষুণ্ন করে।

মন্ত্রীর মতে, রাহুলের কিছু প্রকাশনা ও মন্তব্যে তিনি অপরিচিত বই থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে জনমতকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন, যা রিজিজু শিশুসুলভ আচরণ হিসেবে বর্ণনা করেন। এছাড়া, রাহুলের বিরোধী শিবিরের প্রতিনিধিত্বের দাবি, ধর্মঘটের আহ্বান এবং ব্যক্তিগত আক্রমণকে তিনি অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রাপ্তবয়স্ক বলে উল্লেখ করেন।

রিজিজু রাহুল এবং তার প্রাক্তন সহকর্মী, বর্তমানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টুরের মধ্যে সংঘটিত কথোপকথনের কথাও উল্লেখ করেন। এই ঘটনা পার্লামেন্টের বাইরে দুইজন রাজনৈতিক ব্যক্তির মধ্যে তীব্র মতবিরোধের উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে।

এপস্টেইন ফাইলস সংক্রান্ত বিতর্কে রাহুলের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতি মন্তব্যের পর রিজিজু প্রশ্ন তোলেন। তিনি রাহুলের অনুসারীদেরকে আহ্বান জানান, যে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন না করা সত্ত্বেও মন্তব্য করা উচিত নয়। রিজিজু দাবি করেন, যদি কোনো নথি থাকে তবে তা সরাসরি উপস্থাপন করা দরকার।

মন্ত্রীর মতে, ভিত্তিহীনভাবে প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করা রাজনৈতিক পরিবেশকে হতাশাজনক করে তুলেছে। তিনি বলেন, এমন ধরনের আক্রমণ দেশের রাজনৈতিক সংস্কার ও সংহতির জন্য ক্ষতিকর।

রিজিজুর এই মন্তব্যের ফলে কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত করছেন, রাহুলের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগ পার্টির কৌশলগত পদক্ষেপের অংশ হতে পারে, যা আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। ভবিষ্যতে পার্লামেন্টে আরও তীব্র বিতর্ক এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত তদন্তের সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments