25 C
Dhaka
Wednesday, February 18, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিআইন মন্ত্রী বিচারকদের বেতন নিয়ে উদ্বেগে পদত্যাগের পরামর্শ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর...

আইন মন্ত্রী বিচারকদের বেতন নিয়ে উদ্বেগে পদত্যাগের পরামর্শ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কতা

ঢাকার আইন মন্ত্রণালয়ের প্রথম কর্মদিবসে আইন মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান আজ বিচারকদের বেতন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশকারী কর্মকর্তাদের সতর্ক করে জানান যে, যদি বর্তমান পারিশ্রমিক দিয়ে পারিবারিক খরচ মেটানো কঠিন হয়, তবে পদত্যাগ করে আইনজীবী হিসেবে কাজ করা একটি বিকল্প।

মন্ত্রীর উদ্বোধনী সভায় উপস্থিত কর্মকর্তাবৃন্দ ও কর্মচারীরা তার বক্তব্য শোনার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিচারক পদের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে সততার ধারণা যুক্ত, তাই কোনো আলাদা সংজ্ঞা প্রয়োজন নেই।

বেতন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশকারী বিচারক বা কর্মী যদি নিজেরা আর্থিকভাবে টিকে না থাকতে পারেন, তবে তিনি তাদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে প্র্যাকটিস চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এধরনের সিদ্ধান্তকে তিনি “সাধারণ বার্তা” হিসেবে উপস্থাপন করেন।

মন্ত্রীর মতে, একজন বিচারকের মূল বৈশিষ্ট্য হল সততা, যা পদবীর সঙ্গে স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে যুক্ত। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, “সৎ বিচারক” শব্দটি অতিরিক্ত কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে বোঝা যায়।

বিচারিক সংস্থার প্রতি জনমত যে “দুর্নীতিগ্রস্ত বিচারক” বা “দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা” হিসেবে গঠন করা হয়, তা তিনি ভুল ধারণা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, বিচারিক পেশা থেকে প্রত্যাশিত মৌলিক গুণ হল নৈতিকতা ও স্বচ্ছতা।

দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত হলে কোনো রকম অব্যাহতি থাকবে না, এ বিষয়ে মন্ত্রী কঠোর সতর্কতা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, দুর্নীতির শিকার হলে শুধুমাত্র প্রশাসনিক শাস্তি নয়, আইনি দায়বদ্ধতাও আরোপ করা হবে।

এ ধরনের শাস্তি প্রয়োগে তিনি বলেন, যদি কেউ দুর্নীতির মাধ্যমে নিজেকে রক্ষা করতে চায়, তবে তা সম্ভব হবে না এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধমূলক মামলা দায়ের করা হবে। এই বার্তাটি সকল বিচারক ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর জন্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সভায় উপস্থিত উচ্চপদস্থ বিচারক ও আইন পেশাজীবীরা মন্ত্রীর বক্তব্যে সম্মতি প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে ন্যায়বিচার বজায় রাখতে এই নীতিমালা অনুসরণ করার ইচ্ছা জানান।

বেতন সংক্রান্ত অসন্তোষের ফলে যদি কিছু বিচারক পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন, তবে তা দেশের বিচার ব্যবস্থার কাঠামোতে পরিবর্তন আনতে পারে। মন্ত্রীর এই নির্দেশনা সম্ভবত কিছু বিচারককে প্র্যাকটিসে ফিরে যেতে উদ্বুদ্ধ করবে।

এই ঘোষণার ফলে বাংলাদেশ সরকারের বিচারিক সংস্কার পরিকল্পনা ও জনসাধারণের বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা পুনর্গঠনে প্রভাব পড়তে পারে। মন্ত্রীর সতর্কতা সরকারকে দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।

আইন মন্ত্রণালয় ভবিষ্যতে বিচারকদের পারিশ্রমিক ও কর্মপরিবেশের উন্নয়ন নিয়ে আরও আলোচনা চালিয়ে যাবে এবং প্রয়োজনীয় নীতি পরিবর্তনের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করবে।

সারসংক্ষেপে, মন্ত্রী আজ বিচারকদের বেতন নিয়ে উদ্বেগের সমাধান হিসেবে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ ও আইনজীবী হিসেবে কাজ করার পরামর্শ দেন, পাশাপাশি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি আরোপের ইচ্ছা প্রকাশ করেন, যা দেশের ন্যায়বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments