বাংলাদেশ ব্যাংক আইসিসি পুরুষ টি২০ আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে নির্ধারিত অবস্থানের ভিত্তিতে ২০২৮ টি২০ বিশ্বকাপের স্বয়ংক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে। টুর্নামেন্টটি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে। র্যাঙ্কিং অনুসারে ৯ মার্চ, ২০২৬ সালের চূড়ান্তের পরের দিন পর্যন্ত শীর্ষ ১২ দল স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ্যতা পাবে।
র্যাঙ্কিং তালিকায় বাংলাদেশ ব্যাংক, আফগানিস্তান এবং আয়ারল্যান্ড শেষ তিনটি সরাসরি স্থান দখল করার সম্ভাবনা রাখে। এই তিন দলের অবস্থান স্থির করার আগে কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ বাকি না থাকায় র্যাঙ্কিং পরিবর্তনের সুযোগ নেই। ফলে মার্চের শেষের দিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের নিশ্চিতকরণ পাবেন এই দলগুলো।
২০২৬ সালের চলমান টুর্নামেন্ট থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক বাদ পড়ার পর স্বয়ংক্রিয় স্থান নিশ্চিত হবে কিনা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল। র্যাঙ্কিং ভিত্তিক যোগ্যতা নিশ্চিত হওয়ায় এখন সেই অনিশ্চয়তা দূর হয়েছে।
এই বছর সুপার ইইটস পর্যায়ে পৌঁছানো আটটি দল ইতিমধ্যে ২০২৮ টুর্নামেন্টের টিকিট বুক করেছে। তাদের মধ্যে পাকিস্তান, ভারত এ, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা এ এবং নিউজিল্যান্ড অন্তর্ভুক্ত।
পাকিস্তান গ্রুপ এ-তে নামিবিয়া পরাজিত করে জয়লাভের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় স্থান নিশ্চিত করেছে এবং ভারত এ একই গ্রুপে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। উভয় দলই সুপার ইইটসের মাধ্যমে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা পেয়েছে।
গ্রুপ বি-তে শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে যথাক্রমে জয়লাভের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় স্থান পেয়েছে। তাদের পারফরম্যান্স টুর্নামেন্টের শীর্ষ স্তরে তাদের অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে।
গ্রুপ সি-তে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং ইংল্যান্ড দুজনেই গ্রুপের শীর্ষে শেষ হয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ্যতা অর্জন করেছে। উভয় দলের আক্রমণাত্মক খেলা টুর্নামেন্টের গুণগত মান বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দক্ষিণ আফ্রিকা এ এবং নিউজিল্যান্ড গ্রুপ ডি-তে পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে দুইটি স্বয়ংক্রিয় স্থান নিশ্চিত করেছে। নিউজিল্যান্ডের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া, যেটি সহ-আয়োজক, টুর্নামেন্টে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অংশ নেবে।
অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড উভয়ই সহ-আয়োজক হিসেবে স্বয়ংক্রিয় প্রবেশাধিকার পেয়েছে; নিউজিল্যান্ডের সুপার ইইটসের পারফরম্যান্সও স্বয়ংক্রিয় যোগ্যতা নিশ্চিত করেছে। এভাবে দুইটি হোস্ট দেশই টুর্নামেন্টে নিশ্চিত উপস্থিতি পাবে।
বাকি আটটি স্থান অঞ্চলভিত্তিক যোগ্যতা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পূরণ হবে, যেখানে প্রতিটি অঞ্চলের প্রতিযোগিতার শক্তি অনুযায়ী দলগুলোকে সুযোগ দেওয়া হবে। এই কাঠামো নিশ্চিত করে যে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশের দলগুলো টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবে।
২০২৮ টি২০ বিশ্বকাপের সূচি এখনও চূড়ান্ত করা বাকি, তবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিশ্চিত স্থান পেয়েছে এমন দলগুলো এখন প্রস্তুতি ও কৌশল নির্ধারণে মনোনিবেশ করবে। টুর্নামেন্টের শেষ পর্যন্ত র্যাঙ্কিং ও অঞ্চলীয় কুয়ালিফায়ারগুলোও নজরে থাকবে।



