বিদেশি বিনিয়োগ সংস্থা FICCI (Foreign Investors’ Chamber of Commerce and Industry) বাংলাদেশ সরকারের কাছে বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ‑মুখী নীতি এবং মৌলিক নিয়ন্ত্রক সংস্কারকে অগ্রাধিকার দিতে আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থার মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ বিনিয়োগকারীর আস্থা বাড়াবে এবং টেকসই অর্থনৈতিক বৃদ্ধির ভিত্তি স্থাপন করবে।
প্রেস রিলিজে FICCI উল্লেখ করেছে যে, সরকারী সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রস্তুতি রয়েছে এবং বিনিয়োগ পরিবেশকে উন্নত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধাপ গ্রহণে সহযোগিতা করবে। লক্ষ্য হল গুণগত মানের বিদেশি মূলধন আকর্ষণ, অর্থনৈতিক সংস্কারকে সমর্থন, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান এবং দেশের আর্থিক কাঠামোকে শক্তিশালী করা।
সংস্থা নতুন গঠিত সরকারের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে, ক্যাবিনেট শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং অন্যান্য সংসদ সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়েছে। নতুন নেতৃত্বের স্বীকৃতি দিয়ে FICCI আশা প্রকাশ করেছে যে, দেশের অগ্রগতির দৃষ্টিভঙ্গি দ্রুত বাস্তবায়িত হবে।
নতুন নেতৃত্বের দৃষ্টিভঙ্গি যদি সময়মত এবং কার্যকরী পদক্ষেপে রূপান্তরিত হয়, তবে অর্থনৈতিক বৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত হবে এবং বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশ গড়ে উঠবে, এটাই সংস্থার মূল বার্তা।
FICCI-র সভাপতি রূপালি চৌধুরী উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমান সময় দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যখন নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, এই সময়ে নীতি নির্ধারণে স্বচ্ছতা এবং ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
প্রেস রিলিজে রূপালি চৌধুরী সরকারকে দেশের অগ্রগতি চালিত করতে সর্বোচ্চ সফলতা কামনা করেছেন। তিনি নতুন সরকারের নেতৃত্বে দেশের অর্থনৈতিক দিকনির্দেশনা স্পষ্ট হবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন।
বিনিয়োগকারীর আস্থা পুনরুদ্ধার, ব্যবসা করার সহজতা বৃদ্ধি, অপারেশনাল খরচ কমানো এবং নীতি পূর্বাভাসযোগ্যতা নিশ্চিত করা সংস্থার প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া, ব্যবসা-বান্ধব সংস্কারকে ত্বরান্বিত করার জন্য নিয়ন্ত্রক কাঠামোতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, FDI টেকসই বৃদ্ধির চালিকাশক্তি, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং বাংলাদেশকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিতে সহায়ক। সংস্থা বিশ্বাস করে যে, সঠিক নীতি ও সংস্কার বাস্তবায়িত হলে বিদেশি মূলধনের প্রবাহ বাড়বে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী হবে।
সংস্থার এই আহ্বান এবং নতুন সরকারের প্রতি শুভেচ্ছা ভবিষ্যতে নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে এবং বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে কাজ করবে।



