25 C
Dhaka
Wednesday, February 18, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিসিভিল এভিয়েশন মন্ত্রী মিল্লাতের বিমানবন্দর সেবা উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষিত

সিভিল এভিয়েশন মন্ত্রী মিল্লাতের বিমানবন্দর সেবা উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষিত

সিভিল এভিয়েশন ও পর্যটন রাজ্যমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত আজ সেক্রেটারিয়েটে তার দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম কর্মদিবসে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকার বিমানবন্দরের সেবা মানোন্নয়নের জন্য নতুন পদক্ষেপ নেবে। তিনি উল্লেখ করেন, যাত্রীদের ইমিগ্রেশন শেষ করার সঙ্গে সঙ্গে লাগেজ হাতে পেতে নিশ্চিত করা হবে, যাতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করতে হয়।

মিল্লাতের মতে, টিকিট ক্রয় থেকে লাগেজ সংগ্রহ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় পুনর্গঠন করা হবে। তিনি বলেন, বর্তমান প্রক্রিয়ায় যাত্রীদের টিকিট বুকিং, চেক‑ইন এবং ব্যাগেজ হ্যান্ডলিংয়ে অসুবিধা দেখা দেয়, যা দ্রুত সমাধান করা দরকার।

বিমানবন্দরের ব্যাগেজ কনভেয়ার থেকে লাগেজ পাওয়ার সময় এখনো এক থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত হতে পারে, এ বিষয়টি তিনি বিশেষভাবে তুলে ধরেন। নতুন ব্যবস্থা চালু হলে এই সময় কমে তৎক্ষণাৎ লাগেজ পাওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

লাগেজ সংগ্রহের দীর্ঘ অপেক্ষা ও সংশ্লিষ্ট দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে, এ কথাও তিনি উল্লেখ করেন। অতএব, প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বাড়িয়ে দুর্নীতির সুযোগ কমানোই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

টিকিটের ঘাটতি নিয়ে অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় মিল্লাত বললেন, অনেক ক্ষেত্রে ফ্লাইটে ফাঁকা সিট থাকা সত্ত্বেও যাত্রীরা টিকিট পেতে পারছে না, যা কিছু সিন্দিকেটের কাজ বলে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন। এ ধরণের অনিয়মের মোকাবিলায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

মিল্লাত বলেন, সমস্যাগুলো সম্পর্কে সরকার সচেতন এবং দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে ধীরে ধীরে পরিবর্তনের লক্ষণ দেখা যাবে এবং সেবা উন্নয়নের প্রথম ধাপগুলো কার্যকর হবে।

সেক্টরের গত পনেরো বছর ধরে চলমান দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তও ত্বরান্বিত করা হবে। ইতিমধ্যে বহু ব্যক্তি জেলখানায় রয়েছে, তবু সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতিমুক্ত করা এখনো বাকি, এ কথা তিনি স্বীকার করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

বিপক্ষের কিছু রাজনৈতিক দল দীর্ঘদিনের দুর্নীতিমুক্ত বিমানবন্দর সেবা দাবি করে আসছে। তারা সরকারের এই নতুন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে, বাস্তবায়নের গতি ও স্বচ্ছতা পর্যবেক্ষণ করার আহ্বান জানায়।

বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, যদি পরিকল্পিত পরিবর্তন সময়মতো কার্যকর হয়, তবে বিমানবন্দরের সেবা মানে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে এবং যাত্রী সন্তুষ্টি বাড়বে। এছাড়া, টিকিটের ঘাটতি ও দুর্নীতির সমস্যায় ত্বরিত পদক্ষেপ নেওয়া রাজনৈতিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে গণ্য হবে।

বাংলাদেশ সরকার এই উদ্যোগকে দেশের পর্যটন ও বাণিজ্যিক সংযোগ শক্তিশালী করার কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে উপস্থাপন করেছে। ভবিষ্যতে বিমানবন্দরের সেবা মানোন্নয়ন ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়া এবং দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার থাকবে।

সারসংক্ষেপে, সিভিল এভিয়েশন মন্ত্রী মিল্লাতের ঘোষিত পরিকল্পনা বিমানবন্দরের প্রক্রিয়া সরলীকরণ, লাগেজ সংগ্রহের সময় হ্রাস, টিকিট ঘাটতি মোকাবিলা এবং দুর্নীতি নির্মূলের দিকে কেন্দ্রীভূত। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে বাস্তবিক পরিবর্তন দেখা যাবে এবং সংশ্লিষ্ট সকল দিক থেকে তদারকি করা হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments