ঢাকা, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ – আইনমন্ত্রী আজ প্রকাশ্যে জানিয়েছেন যে, জাতীয় মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া সরকারী নির্দেশনা মেনে স্বাভাবিক গতি বজায় রাখবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক জারি করা নির্দেশের ভিত্তিতে বিচারকরা কোনো ধরণের জনদুর্ভোগের সম্মুখীন না হন তা নিশ্চিত করা হবে।
মন্ত্রীর মতে, শহীদদের স্বপ্নে গড়ে তোলা স্বাধীন বাংলাদেশের ভিত্তি রক্ষার জন্য এই মামলাগুলোকে দ্রুত ও ন্যায়সঙ্গতভাবে সমাধান করা অপরিহার্য। তিনি বলেন, শহীদদের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সব বিভাগ একত্রে সমন্বয় করে কাজ চালিয়ে যাবে।
আইনমন্ত্রীর বক্তব্যে জোর দেওয়া হয়েছে যে, বিচার প্রক্রিয়ার কোনো ধাপই রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের শিকার হবে না এবং আদালত স্বাধীনভাবে তার দায়িত্ব পালন করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজরদারিতে এই মামলাগুলোকে স্বচ্ছভাবে পরিচালনা করা হবে, যাতে দেশের সুনাম ও ন্যায়বিচার উভয়ই সুরক্ষিত থাকে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে, বিচার বিভাগের কর্মী ও আইনজীবীরা অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করে শহীদদের পরিবার ও সমাজের ওপর কোনো অতিরিক্ত চাপ না সৃষ্টি করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এদিকে, সরকার মানবতাবিরোধী অপরাধের শিকারের পুনর্বাসন ও সহায়তা পরিকল্পনাও সমন্বিতভাবে চালু করেছে, যা শিকারের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে।
আইনমন্ত্রীর মন্তব্যের পর, সংশ্লিষ্ট বিচারিক সংস্থাগুলো দ্রুতগতিতে মামলার শিডিউল নির্ধারণের কাজ শুরু করেছে। আদালত ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও সাক্ষ্য সংগ্রহের জন্য বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে, যা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রথম শুনানির তারিখ নির্ধারণে সহায়তা করবে।
এই ঘোষণার ফলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিবেশে ন্যায়বিচার ব্যবস্থার স্বতন্ত্রতা বজায় রাখার গুরুত্বকে তুলে ধরেছেন। তারা উল্লেখ করেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের দ্রুত ও স্বচ্ছ বিচার দেশের আন্তর্জাতিক মর্যাদা বৃদ্ধি করবে এবং দেশের অভ্যন্তরে ন্যায়বিচারের প্রতি আস্থা পুনর্নির্মাণে সহায়তা করবে।
অধিকন্তু, আইনমন্ত্রীর বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শহীদদের স্বপ্নে গড়ে তোলা দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সামাজিক ন্যায়বিচারকে একত্রে অগ্রসর করা হবে। তিনি বলছেন, এই দিক থেকে সরকার ইতিমধ্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য নতুন নীতি প্রণয়ন করেছে, যা শহীদদের ত্যাগকে সার্থক করবে।
সারসংক্ষেপে, আইনমন্ত্রীর নিশ্চিতকরণে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার স্বাভাবিক গতি বজায় রাখবে, যা দেশের ন্যায়বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে এবং শহীদদের স্বপ্নে গড়ে তোলা বাংলাদেশের ভিত্তি মজবুত করবে।



