29 C
Dhaka
Wednesday, February 18, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাশিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মিলন শিক্ষা সংস্কারের বড় পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি...

শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মিলন শিক্ষা সংস্কারের বড় পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দিলেন

মঙ্গলবার, শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ইহসানুল হক মিলন সরকারী সেক্রেটারিয়েটে প্রথম কর্মদিবসে শিক্ষাব্যবস্থার ব্যাপক সংস্কারের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ধাপে ধাপে অগ্রগতি যথেষ্ট নয়; দেশের ভবিষ্যৎ গড়তে ‘বড় লাফ’ দরকার।

মিলন বলেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করতে সমন্বিত সংস্কার চালু হবে। এর মধ্যে পাঠ্যক্রমের আধুনিকীকরণ, ডিজিটাল সাক্ষরতা বৃদ্ধি এবং ইংরেজি দক্ষতা উন্নয়নের উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত।

প্রথম কর্মদিবসে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন, “শিক্ষা ক্ষেত্রে এখন শুধু লাফই নয়, আরও বিশাল লাফ দরকার। এটাই আমার ধারণা, এবং আমরা সেই দিকেই কাজ করব।”

২০০১ সালে বিএনপি সরকারের অধীনে মন্ত্রী পদে ছিলেন মিলন, তখন তিনি পরীক্ষার স্বচ্ছতা বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সেই সময়ে পরীক্ষায় চিটিং ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের সমস্যা মূলত সমাধান করা হয়েছিল।

“চিটিং বন্ধ হয়েছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা আর দেখা যায় না। এসব সমস্যা এখন অতীতের অংশ এবং পুনরাবৃত্তি হবে না,” তিনি জোর দিয়ে বলেন।

এখন তিনি শিক্ষা সংস্কারকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য করার ওপর জোর দেন। নতুন প্রযুক্তি ও দক্ষতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে গড়ে তুলতে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

বিশেষ করে ন্যানোটেকনোলজি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং রোবোটিক্সের মতো উচ্চতর ক্ষেত্রগুলো পাঠ্যক্রমে যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল লার্নিং এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে।

মিলন উল্লেখ করেন, পুরনো শিক্ষাব্যবস্থা দেশের অগ্রগতিকে বাধা দেবে। “বিশ্ব এখন এক গ্লোবাল ভিলেজ, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে,” তিনি বলেন।

এ জন্য আধুনিক, জ্ঞানভিত্তিক পাঠ্যক্রম গঠন এবং শিক্ষার্থীদেরকে বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক দক্ষতা প্রদান করা হবে প্রধান লক্ষ্য।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, পূর্বের কোনো অনিয়মের সঙ্গে তার বর্তমান দায়িত্বের কোনো সম্পর্ক নেই। “আমার দায়িত্বের সময়ে কোনো দুর্নীতি ঘটেনি,” তিনি জোর দেন।

মিলনের এই ঘোষণার পর শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন প্রত্যাশা করা হচ্ছে, তবে বাস্তবায়নে সময় ও সম্পদের প্রয়োজনীয়তা থাকবে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের জন্য এখনই গুরুত্বপূর্ণ হল, নতুন ডিজিটাল টুল ও অনলাইন রিসোর্স ব্যবহার করে স্বশিক্ষা চালিয়ে যাওয়া।

আপনার বিদ্যালয় বা কলেজে যদি নতুন প্রযুক্তি ভিত্তিক ক্লাস বা অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম চালু হয়ে থাকে, তবে সেগুলো সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করুন এবং আপনার শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে সহায়তা করুন।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments