29 C
Dhaka
Wednesday, February 18, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিড. এ.এন.এম. এহছানুল হক মিলন শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে শপথ, আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা...

ড. এ.এন.এম. এহছানুল হক মিলন শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে শপথ, আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ব্যবস্থা ঘোষণা

বাংলাদেশ সরকার গঠনের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ ভবনে শপথ গ্রহণকারী ড. এ.এন.এম. এহছানুল হক মিলন শিক্ষা মন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। তিনি নতুন সরকারের অংশ হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেন।

ড. মিলন ২০০১ সালে মন্ত্রিসভায় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন, যা তার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। নতুন দায়িত্বে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য করার লক্ষ্য ঘোষণা করেন।

শপথের পর রাতে গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে ড. মিলন বলেন, “আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে আসা অপরিহার্য। আমরা এখন একটি গ্লোবাল ভিলেজে বাস করছি, তাই শিক্ষাকে গ্লোবাল প্রতিযোগিতার স্তরে তোলার প্রয়োজন আছে।” তিনি এ কথা পুনরায় জোর দিয়ে বলেন যে শিক্ষা আর স্থানীয় পণ্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক পণ্য হতে হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “চতুর্থ প্রজন্মের শিল্পায়নে ন্যানোটেকনোলজি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং বায়োটেকনোলজি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” এ জন্য শিল্প ও একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সংযোগ শক্তিশালী করা হবে, এটাই তার প্রধান লক্ষ্য।

ড. মিলন টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং (টিভেট) ক্ষেত্রের গুরুত্বেও আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, “টিভেটকে শক্তিশালী করে দক্ষ কর্মশক্তি গড়ে তোলা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হবে।” এ ধারা অনুসারে টিভেটের আধুনিকায়ন ও প্রশিক্ষণ মানোন্নয়নের পরিকল্পনা করা হবে।

শিক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক রূপান্তরের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এটি কোনো স্থানীয় কমোডিটি নয়, এটি একটি আন্তর্জাতিক কমোডিটি।” তাই শিক্ষা মানদণ্ডকে আন্তর্জাতিক মানে আনতে কোনো বিকল্প নেই, এটাই তার দৃঢ় অবস্থান।

ড. মিলন জানান, “দায়িত্ব পেয়েছি, ইনশাল্লাহ কয়েক দিনের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন দেখা যাবে।” তিনি ভবিষ্যতে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে দ্রুত পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেন।

এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সরকারী সূত্রে জানানো হয় যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাঠামো পুনর্গঠন, পাঠ্যক্রম আপডেট এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম দ্রুত কার্যকর করা হবে।

ড. মিলনের মন্তব্যের পর বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নীতি, বাজেট এবং বাস্তবায়ন ক্ষমতা সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তবে সরকার এই দিকের পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রীর নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এবং পরিকল্পনা দেশের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে কীভাবে প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই প্রকাশ করবে। তবে বর্তমান পর্যায়ে তিনি যে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, তা শিক্ষার গুণগত মান ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

ড. মিলনের শপথ গ্রহণ এবং তার ঘোষিত নীতি বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা সংস্কার পরিকল্পনার মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে। সরকারী দৃষ্টিতে এই পরিবর্তনগুলো দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রতিবেদন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সরকারী পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন নীতি ও কর্মসূচি শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে, যা শিক্ষার্থীদের, শিক্ষকদের এবং শিল্পক্ষেত্রের প্রত্যাশা পূরণে সহায়তা করবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments