32 C
Dhaka
Wednesday, February 18, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিচীন ও ভারতের সরকার নতুন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাল

চীন ও ভারতের সরকার নতুন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাল

বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্র মন্ত্রী খালিলুর রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের পর চীন ও ভারতের সরকার থেকে আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। চীন সরকারের চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও কমিউনিস্ট পার্টির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ওয়াং ই এবং ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর দুজনেই নতুন মন্ত্রীর প্রতি অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এই শুভেচ্ছা বার্তাগুলো বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার লক্ষ্যে প্রেরিত হয়েছে।

খালিলুর রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের পটভূমি হল নতুন সরকার গঠনের পরপরই পররাষ্ট্র মন্ত্রিত্বে তার নিয়োগ। এই পদোন্নতি দেশের কূটনৈতিক অগ্রাধিকারে নতুন দিকনির্দেশনা আনতে পারে বলে বিশ্লেষকরা ধারণা প্রকাশ করছেন, তবে সরকারী সূত্রে শুধুমাত্র নিয়োগের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

চীন সরকারের পক্ষ থেকে ওয়াং ই একটি বার্তায় উল্লেখ করেছেন যে তিনি ও খালিলুর রহমান একসাথে দুই দেশের নেতাদের মধ্যে গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতাগুলো বাস্তবায়নে কাজ করবেন। তিনি চীন-বাংলাদেশ সমগ্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এই অংশীদারিত্বের আওতায় বাণিজ্য, অবকাঠামো, শক্তি ও নিরাপত্তা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত।

ওয়াং ই আরও জোর দিয়ে বলেছেন যে চীন সরকার ঢাকা শহরের সঙ্গে সম্পর্ককে উচ্চ গুরুত্ব দেয় এবং সমগ্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের কাঠামোর মধ্যে সহযোগিতা গভীর করার প্রতিশ্রুতি পুনরায় নিশ্চিত করেছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে এই সহযোগিতা উভয় দেশের জনগণের মঙ্গলের জন্য অপরিহার্য।

ভারতের দিক থেকে এস জয়শঙ্করও একই রকম শুভেচ্ছা জানিয়ে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার জন্য প্রস্তুতি প্রকাশ করেছেন। তিনি বলছেন, নতুন পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করে উভয় দেশের পারস্পরিক সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির জন্য যৌথ উদ্যোগ গড়ে তোলা হবে। জয়শঙ্কর ভারতীয় সরকারকে দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী ও বহুমুখী সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে ভারত ও বাংলাদেশ প্রতিবেশী হিসেবে বহু ক্ষেত্রেই ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে এবং ভবিষ্যতে শেয়ার করা স্বার্থের ভিত্তিতে এই সম্পর্কের পরিধি আরও বিস্তৃত হবে। জয়শঙ্করের বার্তায় উভয় দেশের কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রের সমন্বিত কাজের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।

এই শুভেচ্ছা বার্তাগুলো বাংলাদেশ সরকারের জন্য কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নতুন পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি ও সমর্থন পাওয়া দেশের কূটনৈতিক নীতি ও কৌশলকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পরবর্তী সময়ে খালিলুর রহমানের নেতৃত্বে চীন-বাংলাদেশ এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন প্রকল্প ও চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে বাণিজ্যিক বিনিময়, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রে উভয় পক্ষই বাস্তবিক পদক্ষেপের দিকে অগ্রসর হতে পারে।

সারসংক্ষেপে, চীন ও ভারতের সরকার থেকে নতুন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রতি শুভেচ্ছা কেবল আনুষ্ঠানিক অভিনন্দন নয়, বরং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের ইঙ্গিত বহন করে। এই উন্নয়ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক সম্পর্কের গতিপথকে নতুন দিক দিতে পারে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments