32 C
Dhaka
Wednesday, February 18, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপির তারেক রহমানের শপথের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল মিষ্টি বিতরণ

বিএনপির তারেক রহমানের শপথের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল মিষ্টি বিতরণ

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান শপথ গ্রহণের পরপরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র–শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি)‑এ ছাত্রদলের নেতা ও কর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করে উদযাপন করেন। শপথ অনুষ্ঠানের একই রাতেই এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ছাত্রদল ও কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির উপস্থিতি দেখা যায়।

বিতরণ অনুষ্ঠানের সূচনা করেন মাস্টারদা সূর্য সেন হলের আহ্বায়ক মনোয়ার হোসেন প্রান্ত, যিনি মিষ্টি ভাগ করার পাশাপাশি এক সংক্ষিপ্ত প্রার্থনা করেন যে, নতুন প্রধানমন্ত্রী দেশকে সঠিক পথে পরিচালনা করবেন। প্রান্তের এই উদ্যোগের পেছনে তারেক রহমানের শপথের পর উদ্দীপনা ও আশাবাদী মনোভাব ছিল।

মনোয়ার হোসেন প্রান্ত অনুষ্ঠানে বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর পর একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। সুন্দরভাবে একটি গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু হওয়ার খুশিতে আমরা সবাইকে মিষ্টি বিতরণ করেছি। আমরা বিশ্বাস করি, তারেক রহমান তাঁর দক্ষতা ও যোগ্যতার মাধ্যমে দেশকে আধুনিক ও উন্নত দেশে পরিণত করবেন।”

এই মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান, যিনি হল ছাত্রদলের সাংস্কৃতিক সম্পাদক হারুন অর রশিদের সঙ্গে ছিলেন। এছাড়া মাস্টারদা সূর্য সেন হলের যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল হক এবং হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের সদস্য কিয়েভ বারীও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। সকল উপস্থিতি মিষ্টি গ্রহণের পর একসাথে প্রার্থনা ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

তারেক রহমানের শপথের পর এই ধরনের উদযাপন ছাত্রগোষ্ঠীর মধ্যে নতুন সরকারের প্রতি সমর্থন ও প্রত্যাশা প্রকাশের একটি মাধ্যম হিসেবে দেখা হচ্ছে। ১৭ বছর পর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়া তারেক রহমানের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যা রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন গতিশীলতা আনতে পারে।

বিপক্ষের দৃষ্টিকোণ থেকে, এই আয়োজনের উপর কোনো সরাসরি মন্তব্য পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বিশ্লেষকরা এখনও নতুন সরকারের নীতি ও কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেননি, ফলে এই বিতরণকে কেবল এক প্রাতিষ্ঠানিক উদযাপন হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

বিএনপি ও তার সমর্থকরা এই মিষ্টি বিতরণকে নতুন সরকারের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির একটি কৌশল হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। তারা দাবি করেন, ছাত্রগোষ্ঠীর এই ধরনের সমাবেশ সরকারকে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন ও সামাজিক সমর্থন জোরদার করার সুযোগ দেবে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ সরকার ও অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তি এই ধরনের ছাত্র-সামাজিক কার্যক্রমকে স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক প্রকাশের অংশ হিসেবে স্বীকার করে, তবে নীতি নির্ধারণে বাস্তবিক পদক্ষেপের গুরুত্বের ওপর জোর দেয়।

ভবিষ্যতে, নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার কীভাবে শিক্ষাখাতে, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নীতি প্রয়োগ করবে তা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ছাত্রদলের এই উদযাপন সরকারী নীতি ও শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলার সম্ভাবনা নির্দেশ করে।

পরবর্তী সপ্তাহে পার্লামেন্টে নতুন সরকারের প্রথম সেশন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে শিক্ষা, অর্থনীতি ও সামাজিক কল্যাণ সংক্রান্ত মূল আইন প্রণয়নের আলোচনা প্রত্যাশিত। ছাত্রগোষ্ঠীর এই ধরনের সমাবেশ সরকারকে তরুণ নাগরিকের চাহিদা সম্পর্কে সরাসরি তথ্য সরবরাহের সুযোগ দেবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন।

সারসংক্ষেপে, তারেক রহমানের শপথের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিষ্টি বিতরণ একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক বার্তা বহন করেছে। এটি নতুন সরকারের প্রতি ছাত্রগোষ্ঠীর সমর্থন প্রকাশের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ নীতি গঠনে সম্ভাব্য প্রভাবের ইঙ্গিত দেয়।

৮৭/১০০ ৩টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাকবিডিনিউজ২৪বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments