27 C
Dhaka
Wednesday, February 18, 2026
Google search engine
Homeব্যবসামার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জাপানের প্রথম $৩৬ বিলিয়ন বিনিয়োগের ঘোষণা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জাপানের প্রথম $৩৬ বিলিয়ন বিনিয়োগের ঘোষণা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টুইটার-সদৃশ প্ল্যাটফর্মে মঙ্গলবার জাপান প্রথম ধাপের বিনিয়োগের পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। টোকিও ৫৫০ বিলিয়ন ডলারের বৃহৎ প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ৩৬ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প চালু করবে, যা তিনটি অবকাঠামো প্রকল্পে কেন্দ্রীভূত। এই পদক্ষেপটি ২০২৫ সালে কম ট্যারিফের বদলে জাপানকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়নের চাপের প্রতিক্রিয়া।

প্রকল্পগুলোতে ওহাইওতে একটি বৃহৎ প্রাকৃতিক গ্যাস বিদ্যুৎ কেন্দ্র, গাল্ফ অফ মেক্সিকোতে গভীর জলের তেল রপ্তানি সুবিধা এবং একটি সিন্থেটিক হীরার উৎপাদন কারখানা অন্তর্ভুক্ত। গ্যাস কেন্দ্রটি ৯.২ গিগাওয়াট ক্ষমতায় ইতিহাসের সর্ববৃহৎ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই বিনিয়োগের পটভূমি হল ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে জাপানের বাণিজ্য চুক্তি, যেখানে ট্যারিফ হ্রাসের বিনিময়ে জাপানকে বিশাল বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্প এই উদ্যোগকে জাপানের আর্থিক ও কৌশলগত অগ্রগতির সূচনা হিসেবে উল্লেখ করে, ট্যারিফের গুরুত্বকে বিশেষভাবে তুলে ধরেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সানায়ে টাকাইচি আগামী মাসে হোয়াইট হাউসে সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যা অক্টোবর মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাপান ভ্রমণের পরপরই নির্ধারিত। তার সফরের উদ্দেশ্য হল উভয় দেশের সহযোগিতা দৃঢ় করা এবং প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন দ্রুততর করা।

সানায়ে টাকাইচি জোর দিয়ে বলেছেন যে এই উদ্যোগগুলো জাপান‑মার্কিন জোটকে শক্তিশালী করবে, বিশেষ করে সমালোচনামূলক খনিজ, জ্বালানি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা/ডেটা সেন্টার মতো কৌশলগত ক্ষেত্রের সরবরাহ শৃঙ্খলকে স্থিতিশীল করবে। তিনি এটিকে পারস্পরিক উপকার, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং বৃদ্ধির জন্য একটি কৌশলগত বিনিয়োগ উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন ধাপে ধাপে হবে, এবং উভয় দেশ সংশ্লিষ্ট বিশদ বিষয়গুলো সমন্বয় করে দ্রুত ও মসৃণভাবে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। জাপান সরকার ও মার্কিন সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো ইতিমধ্যে প্রকল্পের নকশা ও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় কাজ শুরু করেছে।

মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক এই ঘোষণাকে “মার্কিন প্রথম বাণিজ্য জয়” হিসেবে প্রশংসা করেছেন এবং গ্যাস কেন্দ্রের বিশাল ক্ষমতাকে ইতিহাসের সর্ববৃহৎ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি টুইটারে জাপানের এই বিনিয়োগকে দুই দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন।

বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন যে এই বিনিয়োগগুলো জ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতা বাড়াবে, তেল ও গ্যাস রপ্তানি বাড়িয়ে বাণিজ্য ঘাটতি কমাবে এবং উচ্চ প্রযুক্তি উৎপাদনে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। বিশেষ করে সিন্থেটিক হীরার উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পে কাঁচামালের অভাব কমিয়ে প্রতিযোগিতা বাড়াতে পারে।

ভবিষ্যতে জাপান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা আরও গভীর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উভয় সরকার প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করবে, যাতে বিনিয়োগের প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সুবিধা সময়মতো অর্জিত হয়।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments