নটিংহাম ফরেস্টের ১৯তম কোচিং পদে বসে ৪র্থ ম্যানেজার হিসেবে ভিটোর পেরেইরা, ক্লাবের মালিক ইভ্যাঞ্জেলস মালিনাকিসের সঙ্গে পুনরায় কাজ শুরু করেছেন। ৫৭ বছর বয়সী পেরেইরা, নভেম্বর মাসে উলভস থেকে পদত্যাগের পর, পূর্বে অলিম্পিয়াকোসের অধীনে মালিনাকিসের সঙ্গে গ্রীক লিগ ও কাপ ডাবল জয় করার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
পেরেইরা প্রথম প্রেস কনফারেন্সে মালিনাকিসের নেতৃত্বের গুণাবলী তুলে ধরেন, বলছেন তিনি আগ্রহ ও দৃঢ়সংকল্পে পূর্ণ এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পান না। তিনি যোগ করেন, মালিনাকিসের বিশ্বাস তার কাজের প্রতি এবং তার ব্যক্তিত্বের প্রতি সমান, যা ফুটবলে আবেগের প্রয়োজনীয়তা বাড়িয়ে দেয়।
মালিনাকিস, যিনি সাম্প্রতিক সময়ে সীন ডাইচের পদত্যাগের পর ক্লাবের দায়িত্ব নেন, পেরেইরাকে ১৮ মাসের চুক্তি প্রদান করেছেন। পেরেইরা উল্লেখ করেন, যদিও অলিম্পিয়াকোস থেকে দ্রুত বেরিয়ে গেছেন, তবু দুজনের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস বজায় রয়েছে। তিনি স্বীকার করেন, তরুণ অবস্থায় তিনি কিছু ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তবে অলিম্পিয়াকোস তাকে কখনোই বরখাস্ত করেনি।
পেরেইরার মতে, মালিনাকিস কাজের মধ্যে হস্তক্ষেপ না করে, তবে নিয়মিত মিটিং ও আলোচনা পছন্দ করেন, যা দলের অভ্যন্তরীণ পরিবেশকে স্বচ্ছ রাখে। এই ধরণের ব্যবস্থাপনা শৈলী পেরেইরাকে উলভসের শেষ মুহূর্তে অবনতি থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করেছিল, যেখানে তিনি দলকে পুনরায় প্রিমিয়ার লিগে ফিরিয়ে আনতে সফল হন।
নটিংহাম ফরেস্টের বর্তমান অবস্থান প্রিমিয়ার লিগে ১৭তম, পশ্চিম হ্যামের থেকে তিন পয়েন্টের পার্থক্য এবং বাকি ১২টি ম্যাচ বাকি রয়েছে। পেরেইরা আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন, তিনি এখানে এসে দলকে একই রকম রক্ষণাবেক্ষণ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করবেন।
আগামী বৃহস্পতিবার নটিংহাম ফরেস্ট ইউরোপা লিগ প্লে-অফে ফেনারবাহচে দলের মুখোমুখি হবে, যা পেরেইরার প্রথম ম্যাচ হবে। ফেনারবাহচে, যেখানে তিনি একদিনের জন্য যোগদান করেছিলেন, এখনই নটিংহাম ফরেস্টের প্রতিপক্ষ, ফলে এই ম্যাচটি তার জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
পেরেইরার নতুন চুক্তি এবং মালিনাকিসের সঙ্গে পুনরায় গড়ে ওঠা সম্পর্ক নটিংহাম ফরেস্টের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার একটি মূল অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ক্লাবের ব্যবস্থাপনা আশা করে, পেরেইরার অভিজ্ঞতা এবং মালিনাকিসের দৃঢ় নেতৃত্বের সমন্বয়ে দলটি অবশিষ্ট মৌসুমে সুরক্ষিত অবস্থানে পৌঁছাবে।
সারসংক্ষেপে, ভিটোর পেরেইরা নটিংহাম ফরেস্টে তার ১৯তম কোচিং পদে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কাজ শুরু করেছেন, মালিনাকিসের সঙ্গে পারস্পরিক বিশ্বাসের ভিত্তিতে দলকে রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। বাকি ১২টি লিগ ম্যাচে দলকে নিরাপদে রাখার দায়িত্ব তার হাতে, এবং ইউরোপা লিগে ফেনারবাহচের সঙ্গে প্রথম মুখোমুখি হওয়া তার নতুন চ্যালেঞ্জের সূচনা হবে।



