21 C
Dhaka
Wednesday, February 18, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিহিলারি ক্লিনটন ট্রাম্প প্রশাসনের এপস্টেইন ফাইল ধামাচাপা অভিযোগে মন্তব্য

হিলারি ক্লিনটন ট্রাম্প প্রশাসনের এপস্টেইন ফাইল ধামাচাপা অভিযোগে মন্তব্য

বার্লিনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ফোরামের সময় হিলারি ক্লিনটন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে জেফ্রি এপস্টেইনের সংক্রান্ত নথি গোপন রাখার অভিযোগ উত্থাপন করেন। তিনি ফাইলগুলো দ্রুত প্রকাশের দাবি জানিয়ে বলেন যে বর্তমান দমনমূলক আচরণ স্বচ্ছতা বাধা দিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (ডিওজে) সম্প্রতি এপস্টেইন বিষয়ক প্রায় তিন মিলিয়ন পৃষ্ঠার নথি প্রকাশের ঘোষণা দেয়। তবে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল উল্লেখ করেন যে, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য রেকর্ড এবং শিশুর নির্যাতনের গ্রাফিক চিত্রের উপস্থিতির কারণে পুরো ডেটা প্রকাশ করা সম্ভব নয়, কারণ তা চলমান তদন্তে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

হিলারি ক্লিনটন এই ব্যাখ্যাকে অস্বীকার করে বলেন যে ফাইলগুলো গোপন রাখার কোনো বৈধ কারণ নেই এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা দরকার। তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন যে, সরকারকে সব নথি প্রকাশ করে জনগণের সামনে আনা উচিত, যাতে সত্যের আলোতে সব তথ্য প্রকাশ পায়।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের ফাইল প্রকাশের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে একটি বিবৃতি জারি করা হয়। এতে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন এপস্টেইন ফাইলগুলো প্রকাশের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের জন্য ডেমোক্র্যাটদের চেয়েও বেশি কাজ করেছে এবং এই পদক্ষেপকে ইতিবাচকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

এই বিতর্কের মাঝখানে কংগ্রেসের হাউজ ওভারসাইট কমিটি এপস্টেইন ফাইল তদন্তের অংশ হিসেবে ক্লিনটন দম্পতিকে সাক্ষ্য দিতে আহ্বান জানায়। হিলারি ক্লিনটনকে ২৬ ফেব্রুয়ারি, আর তার স্বামী বিল ক্লিনটনকে ২৭ ফেব্রুয়ারি কমিটিতে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে। পূর্বে সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানালে কংগ্রেসে তাদের বিরুদ্ধে ‘অবমাননা’ প্রস্তাব আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়, তবে সাক্ষ্য দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশের পর এই প্রক্রিয়া বন্ধ করা হয়।

বিল ক্লিনটন ১৯৮৩ সালে জেরাল্ড ফোর্ডের পর প্রথম প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি কোনো সংসদীয় কমিটির সামনে সাক্ষ্য দেবেন। এই ঐতিহাসিক উপস্থিতি কংগ্রেসের তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন।

হিলারি ক্লিনটন সাক্ষ্যদানের সময় উল্লেখ করেন যে, তারা কোনো বন্ধ দরজা শুনানিতে অংশ নিতে চায় না, বরং সম্পূর্ণ প্রকাশ্য শুনানিতে অংশ নিতে ইচ্ছুক। তিনি বলেন, তাদের লুকানোর কিছু নেই এবং তারা বারবার ফাইলের পূর্ণ প্রকাশের দাবি করে আসছে। তিনি আরও যোগ করেন, সত্যের আলোই সর্বোত্তম জীবাণুনাশক, যা সব গোপনীয়তা দূর করবে।

এপস্টেইনের সঙ্গে যুক্ত ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স অ্যান্ড্রুর অংশগ্রহণের প্রশ্নও উঠে। হিলারি ক্লিনটন স্পষ্ট করে বলেন যে, যেকোনো ব্যক্তিকে ডাকা হলে তার সাক্ষ্য দেওয়া উচিত, এতে কোনো ব্যতিক্রম নেই। এই মন্তব্যটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এপস্টেইন কেসের বিস্তৃত প্রভাবকে তুলে ধরে।

সামগ্রিকভাবে, এপস্টেইন ফাইলের প্রকাশ ও তার সঙ্গে যুক্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ভূমিকা নিয়ে চলমান বিতর্ক কংগ্রেসের তদারকি কমিটির সামনে নতুন আলোচনার সূচনা করেছে। ভবিষ্যতে ফাইলের আরও অংশ উন্মোচিত হলে, ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি ও সিদ্ধান্তের পুনর্মূল্যায়ন হতে পারে, যা আমেরিকান রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments