বুধবার বিকেলে গৃহীত নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে একাধিক সংসদ সদস্যকে মন্ত্রী ও স্টেট মন্ত্রী পদে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানানো হয়েছে। শপথ অনুষ্ঠানটি আজ বিকালেই অনুষ্ঠিত হবে এবং সরকারকে নতুন মুখে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই পদবিন্যাস করা হয়েছে।
সিলেট-১ (সিটি কর্পোরেশন ও সদর) নির্বাচিত কন্দকার আবদুল মুক্তাদিরকে পূর্ণ মন্ত্রী পদে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়েছে। তিনি প্রথমবারের মতো সংসদে নির্বাচিত হওয়ায় এই দায়িত্বে উত্তেজনা প্রকাশ করেছেন এবং সিলেটের জনগণ ও সমগ্র দেশের আশীর্বাদ কামনা করে, পার্টির বিশ্বাসের যোগ্যতা প্রমাণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
বিএনপি নেতা জাহির উদ্দিন স্বপনকেও মন্ত্রী পদে শপথ নিতে ডাকা হয়েছে। একই সঙ্গে পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতা সালাহুদ্দিন আহমেদকেও মন্ত্রী পদে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানানো হয়েছে। উভয় নেতাই পার্টির অভ্যন্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন এবং নতুন মন্ত্রিসভায় তাদের উপস্থিতি পার্টির কৌশলগত অবস্থানকে শক্তিশালী করবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) নির্বাচিত মির শাহে আলামকে স্টেট মন্ত্রী পদে শপথ নিতে বলা হয়েছে। তিনি বিএনপি ত্রিপল ‘ধানের গাঁথা’ প্রতীকে নির্বাচিত হয়ে গৃহীত হয়েছেন এবং বর্তমানে বগুড়া জেলায় বিএনপি উপ-সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত। তার অন্তর্ভুক্তি পার্টির আঞ্চলিক সংগঠনকে সমর্থন জোরদার করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।
পটুয়াখালী-৩ (গালাচিপা-দাশমিনা) থেকে ১৩তম সংসদীয় নির্বাচনে নির্বাচিত নুরুল হক (নূর)কেও স্টেট মন্ত্রী পদে শপথের জন্য ডাকা হয়েছে। তিনি পূর্বে পার্টির বিভিন্ন স্তরে কাজ করে আসছেন এবং নতুন মন্ত্রিসভায় তার অংশগ্রহণ পার্টির নীতি বাস্তবায়নে সহায়তা করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
কিশোরগঞ্জ-৬ থেকে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত শারিফুল আলামকেও স্টেট মন্ত্রী পদে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানানো হয়েছে। তিনি সাম্প্রতিক নির্বাচনে তার প্রথম জয় অর্জন করে আজই সংসদে শপথ গ্রহণ করেছেন এবং শপথের পরই স্টেট মন্ত্রী পদে নিযুক্তির কল পেয়েছেন। তার নতুন দায়িত্ব পার্টির তরুণ নেতৃত্বকে প্রতিনিধিত্ব করবে বলে বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন।
নতুন মন্ত্রিসভার গঠন সরকারকে পুনর্গঠন ও নীতি বাস্তবায়নের জন্য নতুন শক্তি যোগাবে। মন্ত্রী ও স্টেট মন্ত্রী পদে অন্তর্ভুক্ত হওয়া এই সংসদ সদস্যদের পার্টির অভ্যন্তরীণ সমন্বয়, আঞ্চলিক সমর্থন এবং নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার প্রত্যাশা রয়েছে। শপথ অনুষ্ঠান শেষে সরকার নতুন মন্ত্রিসভার কার্যক্রম শুরু করবে এবং পরবর্তী সপ্তাহে সরকারী নীতি ও কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবে।



