27 C
Dhaka
Tuesday, February 17, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিনতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা জাতীয় সংসদ ভবনে শপথ গ্রহণের জন্য প্রবেশ

নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা জাতীয় সংসদ ভবনে শপথ গ্রহণের জন্য প্রবেশ

সকাল ৯টা পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা জাতীয় সংসদ ভবনে প্রবেশ করে শপথ গ্রহণের প্রস্তুতি নেয়। শপথ অনুষ্ঠানটি জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে নির্ধারিত সময়ে শুরু হবে। সাধারণত এই শপথ স্পিকার প্রদান করেন, তবে এবারের শপথ প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের হাতে হবে।

সদস্যদের প্রবেশের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর তদারকি ছিল এবং মিডিয়া কর্মীরা ঘটনাস্থলকে কভার করতে উপস্থিত ছিলেন। শপথ সম্পন্ন হওয়ার পর বিএনপি পার্লামেন্টারি পার্টি একটি বৈঠক করে সংসদে তাদের নেতা নির্বাচন করবে।

অনুষ্ঠানে দেশের বাইরের এক ডজনেরও বেশি দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণের জন্য উপস্থিত ছিলেন, যা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের ইঙ্গিত দেয়। শুক্রবার রাতেই নির্বাচন কমিশন ১৩তম জাতীয় নির্বাচনের ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৭টির গেজেট প্রকাশ করে।

আজ বিকেল ৪টায় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন, যা জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে। শপথের পর সরকারী কার্যক্রমের সূচনা হবে।

বিএনপি ২০৯টি আসন জয় করে পরম সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। প্রথমবারের মতো জামায়াত-এ-ইসলামি ৬৮টি আসন নিয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে দাঁড়াবে। এই ফলাফল দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন ভারসাম্য সৃষ্টি করবে।

শপথ কক্ষে প্রবেশের সময় সদস্যদের মুখে গর্বের ছাপ স্পষ্ট দেখা যায়, এবং নিরাপত্তা কর্মীরা শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সতর্কতা অবলম্বন করেন। মিডিয়া ক্যামেরা ও মাইক্রোফোনের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি রেকর্ড করছে।

শপথের পর বিএনপি পার্লামেন্টারি পার্টি দ্রুতই তাদের পার্লামেন্টারি নেতা নির্বাচন করতে চায়, যাতে সংসদীয় কার্যক্রমে দ্রুততা বজায় থাকে। একই সঙ্গে জামায়াত-এ-ইসলামি তাদের নতুন ভূমিকা নিয়ে কৌশল নির্ধারণের জন্য অভ্যন্তরীণ আলোচনা চালাবে।

জাতীয় সংসদ ভবনে আজকের শপথ অনুষ্ঠান দেশের রাজনৈতিক জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে, যেখানে নতুন সরকার গঠন এবং বিরোধী দলের ভূমিকা স্পষ্ট হবে। ভবিষ্যতে নীতি নির্ধারণে এই নতুন সংযোজনের প্রভাব বিশ্লেষণ করা হবে।

এই শপথ অনুষ্ঠানটি দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উভয় পর্যবেক্ষকের দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে। শপথের পরপরই সরকারী দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতি শুরু হবে, যা দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও নীতি বাস্তবায়নে প্রভাব ফেলবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments