27 C
Dhaka
Tuesday, February 17, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধউজিরপুরে বৈদ্যুতিক ফাঁদে কৃষকের মৃত্যু ও পুকুরে শিশুর ডুবে যাওয়া

উজিরপুরে বৈদ্যুতিক ফাঁদে কৃষকের মৃত্যু ও পুকুরে শিশুর ডুবে যাওয়া

সোমবার উজিরপুরের পশ্চিম কেশব কাঠি ও হস্তিশুন্ড গ্রামে দু’টি আলাদা দুর্ঘটনা ঘটেছে। ৫৫ বছর বয়সী কৃষক সত্যরঞ্জন ডাকুয়া বৈদ্যুতিক ইঁদুর ফাঁদে বিদ্যুৎ শক পেয়ে মারা গেছেন, আর হস্তিশুন্ডের ৪ বছর বয়সী রিয়ামনি খাবার শেষে পুকুরে প্লেট ধুতে গিয়ে ডুবে গেছেন।

সত্যরঞ্জন ডাকুয়া তার ফসল রক্ষা করতে ইঁদুরের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য বৈদ্যুতিক ফাঁদ ব্যবহার করতেন। বিকেল প্রায় তিনটায় তিনি ফাঁদটি সংযুক্ত অবস্থায় ক্ষেতের দিকে রওনা হন এবং পথে বিদ্যুৎ শকের শিকার হয়ে মারা যান।

উজিরপুর মডেল থানার ওসি মুহা. রকিবুল ইসলাম জানান, ফাঁদে সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করেই মাঠে যাওয়াকে অবহেলা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এ ক্ষেত্রে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হবে।

অন্যদিকে, হস্তিশুন্ডের রিয়ামনি দুপুরের খাবার শেষে বাড়ির পুকুরে গিয়ে প্লেট ধুতে গিয়েছিলেন। কয়েক মিনিট পর তাকে না পেয়ে পরিবার অনুসন্ধান চালায় এবং পুকুরের পানিতে শিশুর মৃতদেহ পাওয়া যায়।

পুলিশের মতে, শিশুটি সম্ভবত পুকুরের ঘাটে পা পিছলে পড়ে গিয়ে পানিতে ডুবে গিয়েছিল। কোনো তৎক্ষণাৎ তত্ত্বাবধানের অভাবে শিশুটি পানিতে ডুবে যাওয়ার সময় কেউ লক্ষ্য করেনি।

রিয়ামনির পরিবার কোনো অভিযোগ না করার কারণে শিশুর দেহকে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আত্মীয়দের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে ওসি জানিয়েছেন।

সত্যরঞ্জন ডাকুয়ার ক্ষেত্রে অপমৃত্যুর অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্ত চালু হয়েছে। ফাঁদে বিদ্যুৎ সংযোগের অবস্থা, ফাঁদ স্থাপনের পদ্ধতি এবং সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের সম্ভাবনা তদন্তের মূল বিষয়।

দু’টি ঘটনার সমন্বয়ে উজিরপুরে নিরাপত্তা সচেতনতার অভাব স্পষ্ট হয়েছে। স্থানীয় কৃষক ও গ্রামবাসীদের মধ্যে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সময় সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

থানা কর্তৃপক্ষ ফাঁদ ব্যবহারকারী কৃষকদের জন্য নিরাপত্তা নির্দেশিকা বিতরণ এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালু করার পরিকল্পনা করেছে।

স্থানীয় মানুষদের মধ্যে শোকের পরিবেশ দেখা যাচ্ছে। দু’টি পরিবারই অপ্রত্যাশিত ক্ষতির শিকার হয়েছে এবং সম্প্রদায়ের সহানুভূতি ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে।

অপমৃত্যু মামলা এবং শিশুর মৃত্যুর তদন্তের ফলাফল আদালতে উপস্থাপন করা হবে। প্রয়োজনীয় হলে অটোপসি ও ফরেনসিক পরীক্ষা চালিয়ে শেষ পর্যন্ত দায়িত্বশীলদের আইনি পদক্ষেপ নিশ্চিত করা হবে।

এই দু’টি দুর্ঘটনা উজিরপুরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্বিবেচনা এবং গ্রামীণ এলাকায় জরুরি সেবা ও তত্ত্বাবধানের গুরুত্বকে আবারও তুলে ধরেছে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments