মুম্বাইয়ের বোরিভালি ইস্টে অবস্থিত ইনক্স স্কাই সিটি মলে শীঘ্রই একটি IMAX স্ক্রিন চালু হবে। এই থিয়েটারটি আগামী মাসের মধ্যে দর্শকদের সেবা দিতে প্রস্তুত, যা শহরের নবম IMAX স্ক্রিন হিসেবে গণ্য হবে।
ইনক্স স্কাই সিটি মলটি শপিং ও বিনোদনের এককেন্দ্রিক স্থান হিসেবে পরিকল্পিত, এবং IMAX স্ক্রিনটি মলের মূল আকর্ষণ হিসেবে কাজ করবে। মলের নাম থেকেই বোঝা যায়, এটি স্কাই সিটি শপিং কমপ্লেক্সের অংশ এবং বোরিভালির পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত।
নতুন IMAX থিয়েটারের আসন সংখ্যা ২২৮, যা সিনেপোলিস নেক্সাস সি-ওয়াডসের ২২৭ আসনবিশিষ্ট IMAX থিয়েটারের তুলনায় একটুকু বেশি। এই পার্থক্যটি স্ক্রিনের সামান্য বৃহত্তর আকারকে নির্দেশ করে, যা দর্শকদের জন্য উন্নত দৃশ্যমান অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।
ইনক্স স্কাই সিটি মলে মোট দশটি স্ক্রিন রয়েছে। IMAX স্ক্রিনের পাশাপাশি সাধারণ স্ক্রিন, ইনসিগনিয়া এবং MX4D অডিটোরিয়ামও এখানে অবস্থিত। সব স্ক্রিনের সম্মিলিত আসন সংখ্যা ১,৩৭২, যা মলের বিনোদন সুবিধাকে বহুমাত্রিক করে তুলেছে।
থিয়েটারটি ইতিমধ্যে প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে; কেবল কিছু অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে এটি কার্যক্রম শুরু করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আর্থিক বছরের শেষ, অর্থাৎ ৩১ মার্চ ২০২৫ের আগে উদ্বোধন হবে। এই সময়সীমা মুম্বাইয়ের বিনোদন শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
ইনক্স স্কাই সিটি মলের মাধ্যমে মুম্বাই মেট্রোপলিটন রিজিয়নে মোট নয়টি IMAX থিয়েটার যুক্ত হবে। পূর্বে বিদ্যমান আটটি হল: মিরাজ ওয়াডালা, পিভিআর আইকন লোয়ার পারেল, ইনক্স মেসাঁন বি.কে.সি., ইনক্স আর সিটি ঘাটকোপার, ইরোস ইনক্স চার্চগেট, ইনক্স মেগাপ্লেক্স মালাদ, সিনেপোলিস নেক্সাস সি-ওয়াডস এবং সিনেপোলিস ভিভিয়ানা থেন।
এই সংখ্যা মুম্বাইকে দেশের সর্বোচ্চ IMAX স্ক্রিনের অধিকারী শহর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে, যা পূর্বে দিল্লি-এনসিআরের সঙ্গে তুলনা করা হতো। এখন মুম্বাইয়ের IMAX পরিসর দিল্লি-এনসিআরের চেয়ে বেশি, যা শহরের বিনোদন অবকাঠামোর উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
বোরিভালির বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে বড় শপিং মল ও আধুনিক সিনেমা হলের অভাব নিয়ে অভিযোগ করছিলেন। নিকটস্থ বড় শপিং কমপ্লেক্স, গ্রোয়েলস ১০১, প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যা স্থানীয় জনগণের জন্য অপ্রতুল ছিল। ইনক্স স্কাই সিটি মল এবং নতুন IMAX থিয়েটার এই ঘাটতি পূরণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন থিয়েটারটি শুধুমাত্র সিনেমা দেখার স্থান নয়, বরং পরিবার ও তরুণদের জন্য একটি সামাজিক মিলনস্থল হিসেবেও কাজ করবে। আধুনিক প্রযুক্তি ও বিস্তৃত আসন ব্যবস্থা সহ, এটি মুম্বাইয়ের বিনোদন বাজারে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। ভবিষ্যতে আরও সিনেমা প্রেমী এবং পর্যটকদের আকৃষ্ট করার সম্ভাবনা রয়েছে।



