23 C
Dhaka
Monday, February 16, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিত্রয়োদশ সংসদের সদস্যদের মোট ঋণ ১১,৩৫৬ কোটি টাকা, অর্ধেকেরও বেশি ঋণগ্রস্ত

ত্রয়োদশ সংসদের সদস্যদের মোট ঋণ ১১,৩৫৬ কোটি টাকা, অর্ধেকেরও বেশি ঋণগ্রস্ত

ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় মাইডাস সেন্টারে ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সম্মিলিত ঋণ ১১,৩৫৬ কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে জানানো হয়। তথ্য প্রকাশের দায়িত্বে ছিলেন স্বচ্ছতা আন্তর্জাতিক বাংলাদেশ (টিআইবি), যা সংসদ সদস্যদের আর্থিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে। এই প্রকাশনা দেশের সর্বশেষ সংসদীয় ঋণ পরিসংখ্যানের অংশ হিসেবে উপস্থাপিত হয়।

টিআইবি প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ত্রয়োদশ সংসদের প্রায় অর্ধেক সদস্যই কোনো না কোনো ঋণে আচ্ছন্ন। মোট সদস্যের মধ্যে ঋণগ্রস্তের অনুপাত ৪৯.৮৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা পূর্ববর্তী চারটি সংসদের তুলনায় সর্বোচ্চ সীমা নির্দেশ করে।

দলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিএনপি পার্টির সংসদ সদস্যদের মধ্যে ঋণগ্রস্তের হার ৬২.০২ শতাংশ, যা দেশের রাজনৈতিক মঞ্চে সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে, জামায়াত-এ-ইসলামি পার্টির প্রতিনিধিদের মধ্যে ঋণগ্রস্তের হার ১৫.৯৪ শতাংশ, যা তুলনামূলকভাবে কম।

ঋণগ্রস্তের হার পূর্বের সংসদগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে, নবম সংসদে ৫৩.৬৮ শতাংশ, দশমে ৫৬.০১ শতাংশ, একাদশে ৫১.৩০ শতাংশ এবং দ্বাদশে ৫২ শতাংশ ছিল। ত্রয়োদশ সংসদে এই হার কিছুটা কমে ৪৯.৮৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যদিও এখনও অর্ধেকেরও বেশি সদস্য ঋণদায়ী।

টিআইবি উল্লেখ করেছে যে, ঋণগ্রস্ত সদস্যদের সংখ্যা ও তাদের ঋণের পরিমাণ নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে। ঋণগ্রস্ততা পারদর্শিতা ও স্বচ্ছতার প্রশ্ন উত্থাপন করে, যা আইনসভা কার্যক্রমে জনসাধারণের আস্থা বাড়াতে বাধা হতে পারে।

প্রতিপক্ষের দৃষ্টিকোণ থেকে, ঋণগ্রস্ত সদস্যদের সংখ্যা বাড়লে বিরোধী দলগুলো এই তথ্যকে রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা দাবি করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। একই সঙ্গে, ঋণমুক্ত বা কম ঋণযুক্ত পার্টিগুলো নিজেদের আর্থিক স্বচ্ছতা তুলে ধরতে পারে, যা ভোটারদের মধ্যে পার্থক্য গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে।

বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত করছেন যে, সংসদীয় ঋণ বিষয়টি আগামী অধিবেশনগুলোতে আলোচনার বিষয় হতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট নীতি প্রণয়নে সংশোধনী বা নতুন বিধান প্রস্তাব করা যেতে পারে। ঋণগ্রস্ত সদস্যদের আর্থিক দায়িত্বের স্পষ্টতা নিশ্চিত করা হলে আইনসভা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও দায়িত্ববোধ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সারসংক্ষেপে, ত্রয়োদশ সংসদের সদস্যদের মোট ঋণ সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে এবং প্রায় অর্ধেকেরও বেশি সদস্য ঋণগ্রস্ত। এই তথ্য রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন আলোচনার সূচনা করতে পারে এবং ভবিষ্যৎ নীতি গঠনে প্রভাব ফেলতে পারে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments