আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল তাদের লেগ স্পিনার রশিদ খানকে ১৬ ফেব্রুয়ারি দিল্লির আরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে খেলতে দেখেছে। টস হারে আগে ব্যাটিং করতে বেছে নেওয়া যুক্ত আরব আমিরাতের প্রথম ইনিংসে, রশিদ ১৬তম ওভারের তৃতীয় বলেই তার ৭০০তম স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি উইকেট নেন।
রশিদ খান বিশ্বকাপের আগে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ৬৯৬টি উইকেট সংগ্রহ করে এসেছিলেন। এই পরিসংখ্যান তাকে আন্তর্জাতিক স্তরে শীর্ষ শিকারের তালিকায় রাখে, যেখানে তিনি ১১৫ ম্যাচে ১৯২টি উইকেটের মালিক। টুর্নামেন্টের শুরুর দিকে তিনি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একটি এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুইটি উইকেট নিয়ে ৭০০ উইকেটের কাছাকাছি পৌঁছানোর পথে ছিলেন।
দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের টেলএন্ডার ব্যাটার মোহাম্মদ আফরান রশিদের গলায় গিয়ে হিট উইকেট হয়ে গিয়েছিলেন। ১৬তম ওভারের তৃতীয় বলেই আফরানের পা ভেঙে গিয়ে রশিদকে তার মাইলফলক অর্জনের সুযোগ দিল। এই মুহূর্তে রশিদের উইকেটের সংখ্যা ঠিক ৭০০ে পৌঁছায়, যা তার ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
৭০০ উইকেটের এই মাইলফলক অর্জন করে রশিদ খান আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রথম বোলার হিসেবে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ক্লাবে নাম লেখালেন। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি শিকারের তালিকায় তিনি শীর্ষে অবস্থান করছেন, যেখানে তার গড় ওয়েকেট সংখ্যা এবং ম্যাচের প্রভাব উভয়ই উল্লেখযোগ্য।
রশিদের এই সাফল্য দলকে মানসিকভাবে উজ্জীবিত করেছে। তার স্পিনের গতি, লাইন এবং দৈর্ঘ্য সবসময় ব্যাটসম্যানকে অপ্রস্তুত করে তুলেছে, এবং এই উইকেট তার ধারাবাহিকতা ও দক্ষতার প্রমাণ। আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল এই পর্যায়ে রশিদের ওপর নির্ভরশীল, বিশেষ করে টুর্নামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তার পারফরম্যান্স দলকে জয়ী করতে সহায়তা করে।
বিশ্বকাপের পরবর্তী ম্যাচে রশিদ আবারও তার স্পিন দিয়ে প্রতিপক্ষকে চ্যালেঞ্জ করতে প্রস্তুত। তার ৭০০তম উইকেটের অর্জন কেবল ব্যক্তিগত মাইলফলক নয়, বরং আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে শক্তিশালী করে।
রশিদ খান তার ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ১১৫টি স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১৯২টি উইকেট নেয়ার মাধ্যমে শীর্ষ শিকারের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এই পরিসংখ্যান তাকে বিশ্বব্যাপী স্পিনারদের মধ্যে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় করে তুলেছে। তার ধারাবাহিকতা এবং শিকারের গুণমান দলকে প্রতিটি ম্যাচে আত্মবিশ্বাস প্রদান করে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে এই ম্যাচে রশিদের ৭০০তম উইকেট তার ব্যক্তিগত রেকর্ডে নতুন অধ্যায় যোগ করেছে এবং আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে রয়ে যাবে।



