বাংলাদেশ ব্যাংক আজ একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে যে বাজারে ও জনসমাগমস্থলে আসল নোটের অনুকরণে তৈরি কাগজ ব্যবহার করে প্রতারণা করা হচ্ছে। এসব ভুয়া নমুনা নোট জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং আইনত অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে ১৮৬০ সালের বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ধারা অনুযায়ী নকল নোটের সদৃশ কাগজ তৈরি, ব্যবহার বা প্রচার করা শাস্তিযোগ্য। সংশ্লিষ্ট কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ব্যাংক স্পষ্ট করে বলেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সকল ব্যবসায়ী, ভোক্তা ও সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানিয়েছে যে তারা নকল নোটের সদৃশ কাগজ তৈরি, বিক্রি বা ব্যবহার থেকে বিরত থাকুক। একই সঙ্গে, কোনো প্রচারণা বা কার্যক্রমে এমন কাগজ ব্যবহার করা হলে, তা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের ব্যাপারে সতর্কতা প্রকাশ করা হয়েছে। কোনো পোস্ট বা ভিডিওতে নোটের বৈশিষ্ট্য নিয়ে দাবি দেখা গেলে, তা যাচাই না করে বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক উল্লেখ করেছে যে নোটের নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতে জনগণকে আসল নোটের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা প্রয়োজন। নোটের রঙ, জলচিহ্ন, সিকিউরিটি থ্রেড এবং হিল্টের মতো সুরক্ষা উপাদানগুলো সঠিকভাবে চেনা উচিত।
নোটের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে উপলব্ধ। ব্যবহারকারীরা সেখানে গিয়ে নোটের মাপ, তাপমাত্রা সংবেদনশীলতা এবং অন্যান্য সুরক্ষা



