১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ প্রযোজক একতা কাপুর ও ইমতিয়াজ আলি লাইলা মজনু ছবির সিক্যুয়েল হিসেবে হীর রঞ্জহা প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। এই ঘোষণায় ছবির শিরোনাম, পরিচালক এবং পূর্বের সিক্যুয়েল সংযোগের তথ্য প্রকাশিত হয়। তবে কাস্ট সংক্রান্ত কোনো তথ্য প্রকাশ না করে প্রকাশনা শেষ করা হয়।
লাইলা মজনু ২০১৮ সালে মুক্তি পায় এবং অবিনাশ তিওয়ারি ও ত্রিপ্তি দিম্রি প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেন। রোমান্টিক ড্রামা হিসেবে ছবিটি দর্শকদের ভাল সাড়া পায় এবং দুই বছরের পরেই সিক্যুয়েল নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। হীর রঞ্জহা শিরোনামটি ঐতিহ্যবাহী প্রেমের কাহিনীর নাম থেকে নেওয়া, যা নতুন রূপে উপস্থাপনের ইঙ্গিত দেয়।
প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে সাজিদ আলি পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ করেন, যিনি মূল লাইলা মজনু ছবির দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন। তার পুনরায় কাজ করা দর্শকদের মধ্যে প্রত্যাশা বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া, প্রযোজকরা ছবির সঙ্গীত, চিত্রনাট্য এবং শুটিং লোকেশন সংক্রান্ত পরিকল্পনা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ শেয়ার করেন।
ঘোষণার সময় কাস্টের কোনো নাম প্রকাশ না করা সত্ত্বেও, শিল্প জগতে দ্রুতই বিভিন্ন অনুমান শুরু হয়। বিশেষ করে, রোমান্টিক জোড়া চরিত্রের জন্য কোন অভিনেতা নির্বাচন করা হবে তা নিয়ে আলোচনা তীব্র হয়। এই মুহূর্তে প্রযোজকরা কাস্ট চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন বলে জানানো হয়।
একটি বিনোদন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে রোহিত সারাফকে রঞ্জহা চরিত্রে নির্ধারিত বলে জানানো হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা রয়েছে, রোহিতের নাম ইতিমধ্যে চূড়ান্ত তালিকায় যুক্ত হয়েছে। এই তথ্যটি অনলাইন আলোচনায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করে।
রোহিত সারাফের পূর্বে বিভিন্ন বোলিভুড ও হিন্দি চলচ্চিত্রে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং তার অভিনয়শৈলীকে প্রশংসা করা হয়েছে। হীর রঞ্জহা ছবিতে তার অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে অনুরাগীরা ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য শেয়ার করছেন। তবে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি।
এরপর হিন্দুস্তান টাইমসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, রোহিতের নামের গুজবটি সঠিক নয় এবং হীর রঞ্জহা ছবির কাস্ট এখনও চূড়ান্ত হয়নি। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কাস্টিং প্রক্রিয়া চলমান এবং শীঘ্রই একটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। এই বিবৃতি গুজবের বিরোধিতা করে।
হিন্দুস্তান টাইমসের তথ্য অনুসারে, প্রযোজক দল এখনও কোন অভিনেতাকে রঞ্জহা চরিত্রে নির্ধারণ করেননি। তারা কাস্টিং কলের মাধ্যমে বিভিন্ন অভিনেতার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং সঠিক নির্বাচন করার জন্য সময় নিচ্ছেন। এই পরিস্থিতি ছবির উৎপাদন সূচি পরিবর্তন না করে চলমান রয়েছে।
প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এখনও কোনো প্রকাশ্য মন্তব্য করেননি যে রোহিত সারাফের নাম সত্যিকারের কাস্টে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কিনা। তাদের পক্ষ থেকে কোনো নিশ্চিতকরণ না পাওয়া পর্যন্ত গুজবকে অস্থায়ী হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এই অনিশ্চয়তা দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল বাড়িয়ে তুলেছে।
হীর রঞ্জহা ছবির কাস্ট সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা এখনো অব্যাহত। প্রযোজক দল শীঘ্রই একটি প্রেস কনফারেন্স বা সামাজিক মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে কাস্টের তালিকা প্রকাশের পরিকল্পনা করেছে বলে জানা যায়। এই ঘোষণার পর দর্শকরা শেষ পর্যন্ত জানবে কোন অভিনেতা রঞ্জহা চরিত্রে অভিনয় করবেন।
সিনেমা প্রেমিকদের জন্য এই গুজবের ধারাবাহিকতা একটি উত্তেজনাপূর্ণ অপেক্ষা তৈরি করেছে। হীর রঞ্জহা ছবির গল্প, দিকনির্দেশনা এবং সম্ভাব্য কাস্ট নিয়ে আলোচনা চলতে থাকবে। শেষ পর্যন্ত, প্রযোজক দলের আনুষ্ঠানিক তথ্যই ছবির প্রকৃত দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করবে এবং দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণ করবে।



