অভিনেত্রী শিল্পা শিরোদকর ইনস্টাগ্রাম থেকে তার পরবর্তী চলচ্চিত্রের নাম প্রকাশ করে ভক্তদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নিলেন। পোস্টে তিনি নতুন প্রকল্পের সূচনা সম্পর্কে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে ‘জাতধারা’ শীঘ্রই ক্যামেরার সামনে আসবে। এই ঘোষণাটি তার সামাজিক মিডিয়া অনুসারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
‘জাতধারা’ ছবির গল্প ও দিকনির্দেশনা পরিচালনা করেছেন ভেঙ্কট কাল্যাণ, যিনি স্ক্রিপ্টও লিখেছেন। ছবিটি জি স্টুডিওসের বাণিজ্যিক সমর্থনে তৈরি হবে এবং প্রযোজনা দায়িত্বে আছেন উমেশ কে আর বি বানসাল ও প্রেরণা অরোরা। উভয় প্রযোজকই পূর্বে সফল প্রকল্পে যুক্ত ছিলেন, যা এই চলচ্চিত্রের প্রত্যাশা বাড়িয়ে তুলেছে।
ইনস্টাগ্রাম পোস্টে শিল্পা শিরোদকর তার সহ-অভিনেতা সুধীর বাবু, রেইন অঞ্জলি, দিভ্যা বিজ এবং গিরিশ জোহরের নাম উল্লেখ করে তাদের সঙ্গে কাজের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ট্যাগের মাধ্যমে এই শিল্পীদের সঙ্গে সহযোগিতার আনন্দ ভাগ করে নেন এবং দর্শকদেরকে এই যাত্রায় অংশ নিতে আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, ছবিতে একশে কেজরওয়াল, শিভিন নারাঙ্গ, ইখিল নন্দা এবং ভবিনি গোসওয়ামি সহ আরও বেশ কয়েকজন তরুণ প্রতিভা অংশ নেবে বলে জানা গেছে। এই মিশ্রণটি নতুন দৃষ্টিকোণ ও অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটাবে বলে শিল্প সমালোচকরা ইতিমধ্যে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
শিল্পা শিরোদকর তার ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত সীমিত প্রকল্পে কাজ করার জন্য পরিচিত। ‘জাতধারা’ তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে পারে, কারণ তিনি দীর্ঘ সময়ের পর আবার বড় স্ক্রিনে ফিরে আসছেন। তার পূর্বের কাজের মধ্যে ‘বিগ গার্ল’ এবং সাম্প্রতিক ‘বিগ বস ১৮’ শো অন্তর্ভুক্ত, যা তার জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে তুলেছে।
চলচ্চিত্রের কাহিনী সম্পর্কে এখনো কোনো বিশদ প্রকাশ করা হয়নি, তবে ভেঙ্কট কাল্যাণের সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি এবং জি স্টুডিওসের সমর্থন দর্শকদের কৌতূহল বাড়িয়ে তুলেছে। ফ্যান বেসের মধ্যে ইতিমধ্যে এই প্রকল্পের জন্য উচ্চ প্রত্যাশা গড়ে উঠেছে, যা শিল্পার ক্যারিয়ারের নতুন দিক নির্দেশ করবে।
‘বিগ বস ১৮’ শেষ করার পর শিল্পা শিরোদকরকে আবার সিনেমার জগতে দেখতে চায় তার ভক্তরা। তিনি শোতে অংশ নেওয়ার পর থেকে সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন এবং এই নতুন প্রকল্পের ঘোষণা তার জন্য একটি পুনরায় উদ্দীপনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চলচ্চিত্রের শুটিং সময়সূচি ও মুক্তির তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তবে প্রযোজকরা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে আরও তথ্য প্রকাশের ইঙ্গিত দিয়েছেন। এই তথ্যের অপেক্ষায় শিল্পের বিভিন্ন স্তরে আলোচনা চলছে।
উমেশ কে আর বি বানসাল এবং প্রেরণা অরোরা পূর্বে বেশ কিছু বক্স অফিস হিটের পেছনে ছিলেন, তাই ‘জাতধারা’ এর বাণিজ্যিক সম্ভাবনা নিয়ে ইতিমধ্যে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। জি স্টুডিওসের সমর্থনও ছবির বাজারজাতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ফ্যান ক্লাব ও সামাজিক মিডিয়া ব্যবহারকারীরা ইতিমধ্যে ছবির পোস্টার ও টিজার প্রত্যাশা করছেন, যদিও এখনো কোনো অফিসিয়াল ভিজ্যুয়াল প্রকাশিত হয়নি। এই উত্তেজনা চলচ্চিত্রের প্রি-প্রমোশন পর্যায়কে আরও উজ্জ্বল করবে।
শিল্পা শিরোদকর ভবিষ্যতে এই প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে নিয়মিত আপডেট দিতে ইচ্ছুক, যা তার অনুসারীদের সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখবে। ‘জাতধারা’ এর সাফল্য কেমন হবে তা সময়ই বলবে, তবে বর্তমান পর্যায়ে এটি বাংলা চলচ্চিত্র জগতে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে স্বীকৃত।



