22 C
Dhaka
Sunday, February 15, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধনোয়াখালীর হাতিয়া বাজারে অগ্নিকাণ্ড, সাতটি দোকান ও গাড়ি পুড়েছে

নোয়াখালীর হাতিয়া বাজারে অগ্নিকাণ্ড, সাতটি দোকান ও গাড়ি পুড়েছে

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় রোববার ভোরে একটি বাজারে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। মুলা বাজারে সাতটি দোকান, একটি মাইক্রোবাস এবং দুইটি অটো রিকশা পুড়ে গিয়েছে। ঘটনাস্থলটি চরঈশ্বর ইউনিয়নের তালুকদার গ্রাম, যেখানে নির্বাচনের পরবর্তী উত্তেজনা বাড়ছিল।

স্থানীয় পুলিশ অফিসার সাইফুল আলম জানান, রাত্রি তিনটার দিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর ফোনে পেয়ে দ্রুত দল পাঠানো হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

বাজারের মালিক কালাম সর্দার জানান, তিনি ধানের শীষের নির্বাচনী সমর্থক এবং কয়েক দিন আগে প্রতিপক্ষের লোকজনের হুমকি পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, হুমকি সত্ত্বেও কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে পারেননি।

সকালবেলা অগ্নিকাণ্ডের খবর শোনার পর সর্দার দ্রুত বাজারে পৌঁছে দেখেন সবকিছু জ্বলে ছাই হয়ে গেছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগুনের সময় দোকানগুলোতে কোনো গ্রাহক বা কর্মী উপস্থিত ছিল না, ফলে কোনো মানবিক ক্ষতি রিপোর্ট করা হয়নি।

ফায়ার সার্ভিসের দল আগুন নিভিয়ে শেষ করার পর ধ্বংসপ্রাপ্ত সম্পদের তালিকা প্রস্তুত করে। সাতটি দোকানের পণ্য সম্পূর্ণ পুড়েছে এবং গ্যারেজে রাখা গাড়িগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রবিবার সকালে নোয়াখালী-৬ হাতিয়া আসনের বিএনপি প্রার্থী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বাজারে গিয়ে ঘটনাটির তদন্তের দাবি জানান। তিনি স্থানীয় নেতাদের ওপর দায়ারোপ করে বলেন, এই ধরণের হিংসা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার ফল।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে একই আসন থেকে এনসিপি শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী হান্নান মাসউদ জয়ী হয়েছেন। তবে এনসিপি হাতিয়া উপজেলার আহ্বায়ক শামসুদ্দিন তিবরিজ ঘটনাটির সঙ্গে কোনো সংযোগ নেই বলে অস্বীকার করেন।

তিবরিজ বলেন, বিএনপি নিজেরাই এই অগ্নিকাণ্ড ঘটিয়ে এনসিপির ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। তিনি জানান, ঘটনাটি জানার পর স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে স্পষ্ট হয়েছে যে কোনো এনসিপি কর্মী এই কাজের সঙ্গে জড়িত নয়।

তিবরিজ সোমবার ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং পরবর্তীতে একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানাবেন। তিনি অতিরিক্তভাবে উল্লেখ করেন, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে যদি কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়।

হাতিয়া থানার ওসি সাইফুল আলম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং লিখিত অভিযোগ পাওয়া মাত্রই তদন্ত শুরু হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রমাণ সংগ্রহের জন্য ফরেনসিক দলকে ডাকা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অধিক তথ্য না থাকলেও, স্থানীয় প্রশাসন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান করা হয়েছে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments