26 C
Dhaka
Sunday, February 15, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিজামায়াতে ইসলামি সহকারী সচিব হামিদুর রহমানের নির্বাচনী সমাপ্তি সমালোচনা

জামায়াতে ইসলামি সহকারী সচিব হামিদুর রহমানের নির্বাচনী সমাপ্তি সমালোচনা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সূচনা সুন্দর হলেও সমাপ্তি সন্তোষজনক না হওয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের সহকারী সচিব জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ রাবি রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ইলেকশন কমিশনারের সঙ্গে ১১ দলীয় ঐক্য বৈঠকের পর এই মত প্রকাশ করেন।

বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও ১১ দলীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন; হামিদুর রহমানের মন্তব্যের মূল বিষয় ছিল ভোটগ্রহণের শেষ পর্যায়ে দেখা গৃহীত পরিবেশের অবনতি। তিনি উল্লেখ করেন, এই নির্বাচনে বড় ধরনের সহিংসতা না থাকলেও ভোট কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় অনুপযুক্ত পরিবেশ লক্ষ্য করা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভোটের সূচনা সুন্দর ছিল, তবে সমাপ্তিতে ব্যাপক জালভোটের অভিযোগ উঠে। তিনি বলেন, ভোট কেন্দ্রের ভিতরে কালো টাকা ছড়িয়ে দেওয়া, ভোটের প্যাকেট সিল করার কাজে অফিসার ও দলীয় কর্মীর অংশগ্রহণের সন্দেহ রয়েছে।

এছাড়া, ভোটগ্রহণের সময় ভয়ভীতি ছড়িয়ে দেওয়া, ভোটারদের উপস্থিতি কমে যাওয়া এবং ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হওয়ায় ভোটের স্বচ্ছতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও জানান, ১১ দল একসঙ্গে নির্বাচন পরিচালনা করলেও কমিশন থেকে সন্তোষজনক কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

পোলিং এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দেওয়া, হুমকি-ধামকি দেওয়া এবং গণনা প্রক্রিয়ায় ত্রুটি সৃষ্টি হওয়ার অভিযোগও উঠে এসেছে। হামিদুর রহমানের মতে, গণনা প্রক্রিয়ার ত্রুটি ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে এবং রেজাল্টে ঘষামাজা ও ওভাররাইটিংয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশেষ করে ৩২টি আসনে স্বল্প ভোটের ব্যবধানে তাদের প্রার্থীদের হারিয়ে যাওয়া নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, কমিশন দ্রুত গেজেট প্রকাশ করেছে; ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টায় গেজেট প্রকাশের ফলে পঞ্চগড়-টেকনাফ-কুতুবদিয়া মতো দূরবর্তী এলাকা থেকে অভিযোগ দায়ের করা কঠিন হয়ে পড়ে।

হামিদুর রহমান জানান, ১১ দলের পক্ষ থেকে লিয়াজো কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রাজপথে প্রতিবাদ সভা ও মিছিলের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হল নির্বাচনী সহিংসতা বন্ধ করা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

তিনি উল্লেখ করেন, দেশের পার্লামেন্ট গঠিত হয়েছে, তবে রাজনৈতিক সব স্তরে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার না থাকলে গণতন্ত্রের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই সকল রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে কাজ করে নির্বাচনের ফলাফলকে প্রশ্নবিদ্ধ করা উচিত নয়, বরং প্রয়োজনীয় সংশোধনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।

এই মন্তব্যের পর, নির্বাচন কমিশন থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে হামিদুর রহমানের দল দাবি করে যে, নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে অবিলম্বে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল করা হবে।

ভবিষ্যতে, যদি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ত্রুটি সংশোধন না করা হয়, তবে পার্লামেন্টের কার্যকারিতা ও সরকারের নীতি বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সকল পক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

এই পরিস্থিতিতে, ১১ দলীয় ঐক্য ও অন্যান্য রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে নির্বাচনী সংস্কার ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা দেশের গণতান্ত্রিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে হামিদুর রহমানের মন্তব্যে জোর দেওয়া হয়েছে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments