১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের প্রস্তুতি চলাকালীন প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে একটি বিষধর সাপের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। সাপটি ডাগআউটের কাছে বেরিয়ে এসে মাঠের নিরাপত্তা কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
পাকিস্তান ক্রিকেট দল অনুশীলনের জন্য মাঠে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখনই সাপটি লম্বা দেহে দৃশ্যমান হয়। নিরাপত্তা কর্মী ও গ্রাউন্ড স্টাফ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাপটির অবস্থান নির্ণয় করে।
দলীয় কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাপটি তৎক্ষণাৎ ধরা হয় এবং নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরিত করা হয়। সাপটি সরিয়ে নেওয়ার পর কোনো খেলোয়াড় বা স্টাফের উপর ঝুঁকি রয়ে যায় না।
সাপটি যদি গ্যালারি বা মাঠের ভেতরে প্রবেশ করত, তবে ভিড়ের মধ্যে আতঙ্কের সম্ভাবনা তৈরি হতো। তাই দ্রুত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা রোধ করা সম্ভব হয়েছে।
প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে সাপের ঘটনার ইতিহাস দীর্ঘ। পূর্বে একই ভেন্যুতে একাধিক আন্তর্জাতিক ম্যাচে অনুরূপ ঘটনা ঘটেছে।
গত বছর ৩ জুলাই শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের একদিনের ম্যাচের সময় বড় সাপটি মাঠে ঢুকে পড়ে, ফলে তৃতীয় ওভারের সময় খেলা কয়েক মিনিটের জন্য থামানো হয়।
এছাড়াও ২০২৪ সালের শ্রীলঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের কিছু ম্যাচে সাপের কারণে সাময়িক বিরতি নিতে হয়েছিল। এই ঘটনাগুলি স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বকে তুলে ধরেছে।
ইন্ডিয়া ও পাকিস্তান ক্রিকেট দলের মধ্যে নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টের আগে এই নতুন সাপের ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয়। উভয় দলের খেলোয়াড় ও স্টাফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়।
স্টেডিয়ামের আয়োজকরা জানিয়েছেন যে, ম্যাচের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হবে। সাপের উপস্থিতি সত্ত্বেও তারা নিশ্চিত করেছেন যে সকল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য অতিরিক্ত গার্ড, ক্যামেরা এবং সাপ-নিয়ন্ত্রণ দলকে স্টেডিয়ামের চারপাশে স্থাপন করা হবে। এই ব্যবস্থা ম্যাচের সময় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সম্ভাবনা কমাবে।
ইন্ডিয়া ও পাকিস্তান ক্রিকেট দল আগামীকাল একই স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ায় উভয় দলের প্রস্তুতি ও মনোভাব স্বাভাবিক অবস্থায় থাকবে।



