18 C
Dhaka
Sunday, February 15, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধনাইজার রাজ্যের তিনটি গ্রামে মোটরসাইকেল আক্রমণে কমপক্ষে ত্রিশজনের বেশি নিহত

নাইজার রাজ্যের তিনটি গ্রামে মোটরসাইকেল আক্রমণে কমপক্ষে ত্রিশজনের বেশি নিহত

শনিবার প্রভাত নাইজেরিয়ার নাইজার রাজ্যের তিনটি গ্রাম টুংগা-মাকেরি, কনকোসো ও পিসা-তে মোটরসাইকেলে সজ্জিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর আক্রমণ ঘটে, যার ফলে কমপক্ষে ত্রিশজনের বেশি প্রাণ হারিয়ে।

আক্রমণকারীরা গুলিবর্ষণ, গলা কেটে হত্যা এবং বাড়ি পুড়িয়ে ফেলা সহ বিভিন্ন হিংসাত্মক পদ্ধতি ব্যবহার করে, পাশাপাশি অজানা সংখ্যক লোককে অপহরণ করে।

প্রথমে টুংগা-মাকেরি গ্রামে গোষ্ঠীটি ভোরবেলায় আক্রমণ চালায়। স্থানীয় সূত্রের মতে, গুলি ও কাটা গলা দিয়ে বেশ কয়েকজন নিহত হয়।

নাইজার রাজ্যের পুলিশ মুখপাত্র ওয়াসিয়ু আবিদুনের মতে, টুংগা-মাকেরিতে ছয়জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। তিনি আরও জানান, কিছু বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং কতজনকে অপহরণ করা হয়েছে তা এখনো নির্ধারিত হয়নি।

কনকোসো গ্রামটি দ্বিতীয় লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠে, যেখানে অধিকাংশ নিহতের সংখ্যা রেকর্ড করা হয়েছে। গ্রামটির বেশিরভাগ বাড়ি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে এবং চারজন নারী অপহৃত হয়েছে বলে প্রতিবেদন পাওয়া যায়।

পিসা গ্রামে গোষ্ঠীটি পুলিশ স্টেশনকে লক্ষ্য করে, তা আগুনে জ্বালিয়ে দেয় এবং একজনকে গুলি করে হত্যা করে। এই ঘটনার পর গ্রামবাসীরাও আতঙ্কে ভুগছেন।

মৃত্যুসংখ্যা সম্পর্কে বিভিন্ন সূত্র ভিন্ন তথ্য দিচ্ছে; রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী মোট প্রায় ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে, আর এএফপি উল্লেখ করেছে অন্তত ৪৬ জনের মৃত্যু নিশ্চিত। আশেপাশের অন্যান্য গ্রামে সম্ভাব্য আক্রমণও রয়ে গেছে, ফলে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে পারে।

একটি নিরাপত্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গোষ্ঠীটি মোট ৪১টি মোটরসাইকেল ব্যবহার করে, প্রতিটি সাইকেলে দুই থেকে তিনজন সশস্ত্র লোক সওয়ার ছিল।

এই গোষ্ঠীকে স্থানীয়ভাবে “ব্যান্ডিট” বলা হয় এবং তারা বহু বছর ধরে নাইজেরিয়ার পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে ডাকাতি ও অপহরণের কাজ করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে এই অঞ্চলে আক্রমণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

নাইজেরিয়ার সরকারী কর্তৃপক্ষ এই ধরনের সহিংসতা দমন করতে চাপের মুখে রয়েছে; উত্তর-পশ্চিমে জিহাদি গোষ্ঠী সক্রিয়, আর দক্ষিণ-পূর্বে বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর উপস্থিতি বাড়ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিসমাস ডে-তে নাইজেরিয়ার সোকোতো রাজ্যে ইসলামি সশস্ত্র গোষ্ঠীর ওপর আক্রমণ চালায়, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ডোনাল্ড ট্রাম্প উল্লেখ করেন, যদি খ্রিস্টানদের ওপর হত্যাকাণ্ড অব্যাহত থাকে তবে অতিরিক্ত আক্রমণ হতে পারে।

জিহাদি গোষ্ঠীর দ্বারা সৃষ্ট হিংসায় অধিকাংশ শিকার মুসলিম হলেও, সাম্প্রতিক আক্রমণে ধর্মীয় পার্থক্য না থাকলেও জনগণের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে।

স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং নিরাপত্তা দপ্তর এখন পর্যন্ত ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এমন আক্রমণ রোধে পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

মৃত্যু ও ক্ষতিগ্রস্তদের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে কর্তৃপক্ষ সতর্কতা প্রকাশ করেছে; অতিরিক্ত তথ্য পাওয়া গেলে তা দ্রুত প্রকাশ করা হবে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments