17 C
Dhaka
Sunday, February 15, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিক্যাবিনেট সেক্রেটারি শেখ আবদুর রশিদ পদত্যাগ, মি. সিরাজ উদ্দিন মিয়া অতিরিক্ত দায়িত্বে

ক্যাবিনেট সেক্রেটারি শেখ আবদুর রশিদ পদত্যাগ, মি. সিরাজ উদ্দিন মিয়া অতিরিক্ত দায়িত্বে

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার রাতের দিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ক্যাবিনেট সেক্রেটারি শেখ আবদুর রশিদের পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক নোটিশ প্রকাশ করেছে। রশিদ, যিনি চুক্তিভিত্তিক পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন, আজই তার দায়িত্ব থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এই পদত্যাগের মাধ্যমে তিনি সরকারী শীর্ষ প্রশাসনিক পদ থেকে সরে গেছেন।

শেখ আবদুর রশিদ পূর্বে তার ইচ্ছা প্রকাশ করে ছিলেন যে তিনি ক্যাবিনেট সেক্রেটারি পদ থেকে সরে যেতে চান। আজকের নোটিশে সেই ইচ্ছা বাস্তবায়িত হয়েছে এবং তার পদত্যাগ কার্যকর করা হয়েছে। তিনি আর ক্যাবিনেট সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করবেন না।

রশিদ উল্লেখ করেন, তিনি ইতিমধ্যে তার ইচ্ছা জানিয়ে দিয়েছেন এবং আজ তা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত হয়েছে। তিনি আরও জানান, এখন থেকে তিনি কোনো সরকারি দায়িত্বে নিযুক্ত থাকবেন না।

এদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় দ্রুত একটি নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করে। একই দিনে মন্ত্রী পরামর্শদাতার প্রধান সেক্রেটারি এম সিরাজ উদ্দিন মিয়াকে ক্যাবিনেট সেক্রেটারির অতিরিক্ত দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।

মি. সিরাজ উদ্দিন মিয়া বর্তমানে চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছেন এবং এখন তিনি ক্যাবিনেট সেক্রেটারির অতিরিক্ত দায়িত্বে নিযুক্ত হবেন। এই পদক্ষেপটি সরকারকে প্রশাসনিক শূন্যতা পূরণে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ক্যাবিনেট সেক্রেটারির দায়িত্বে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের ফলে সরকারের দৈনন্দিন কার্যক্রমে কোনো ব্যাঘাত না ঘটার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। মি. সিরাজ উদ্দিন মিয়ার অভিজ্ঞতা ও পূর্বের কাজের রেকর্ডকে ভিত্তি করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শেখ আবদুর রশিদের পদত্যাগের পেছনে কোনো রাজনৈতিক বিরোধ বা বিতর্কের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। তিনি তার দায়িত্বকালে কোনো বড় স্ক্যান্ডাল বা নীতি পরিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ক্যাবিনেট সেক্রেটারির দায়িত্বে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পরবর্তী ধাপগুলো দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সমন্বয় ও দায়িত্ব হস্তান্তরের কাজ শীঘ্রই শেষ হবে।

এই পরিবর্তন সরকারী কাঠামোর মধ্যে একটি স্বাভাবিক রোটেশন হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ পদে অস্থায়ীভাবে নিযুক্ত করা হয়। ভবিষ্যতে একই ধরনের পদবিন্যাসের সম্ভাবনা রয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, ক্যাবিনেট সেক্রেটারির দায়িত্বে পরিবর্তন সরকারকে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ভূমিকা ও কার্যকারিতা সময়ের সাথে স্পষ্ট হবে।

ক্যাবিনেট সেক্রেটারি সরকারী নীতি সমন্বয়, মন্ত্রিসভা সভা প্রস্তুতি এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মূল দায়িত্বে থাকেন। এই পদে চুক্তিভিত্তিকভাবে কাজ করা রশিদ, তার মেয়াদ শেষের আগে পদত্যাগ করেছেন।

চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের জন্য ক্যাবিনেট সেক্রেটারির মতো শীর্ষ পদে নিযুক্তি বিরল, তবে সরকার প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকলে অস্থায়ীভাবে এই দায়িত্ব অর্পণ করে থাকে। মি. সিরাজ উদ্দিন মিয়ার এই অর্পণও একই নীতির ভিত্তিতে।

প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং নীতি বাস্তবায়নে কোনো ফাঁক না রাখতে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় দ্রুত পদবিন্যাস সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে। এই নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে সমন্বয় কাজ ত্বরান্বিত করতে হবে।

ক্যাবিনেট সেক্রেটারির দায়িত্বে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তের কাজের অগ্রগতি সরকারী ও মিডিয়া পর্যবেক্ষণে থাকবে। ভবিষ্যতে কোনো পরিবর্তন হলে তা জনসাধারণের কাছে জানানো হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments