22 C
Dhaka
Saturday, February 14, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপি চেয়ারমান তারেক রহমানের পররাষ্ট্রনীতি ঘোষণায় দেশের মানুষের স্বার্থকে অগ্রাধিকার

বিএনপি চেয়ারমান তারেক রহমানের পররাষ্ট্রনীতি ঘোষণায় দেশের মানুষের স্বার্থকে অগ্রাধিকার

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান শনিবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পরবর্তী প্রেসব্রিফিংয়ে দেশের মানুষের স্বার্থকে কেন্দ্রে রেখে পররাষ্ট্রনীতি গঠন করার প্রতিশ্রুতি জানিয়ে বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নীতি নির্ধারণে জনগণের মঙ্গলের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।

ব্রিফিংটি বিদেশি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অনুষ্ঠিত হয়। প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, “দেশের মানুষের স্বার্থই সব থেকে আগে, তাদের স্বার্থের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রেখেই পররাষ্ট্রনীতি ঠিক করব আমরা।” এই বক্তব্যে তিনি দেশের নাগরিকদের কল্যাণকে পররাষ্ট্র নীতির মূল ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেন।

তারা উল্লেখ করেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিবেশে বাংলাদেশের কূটনৈতিক পদক্ষেপগুলোকে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক মঙ্গলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে। তাই কূটনৈতিক আলোচনায় জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, যা দেশের দীর্ঘমেয়াদী সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও একই অনুষ্ঠানে দলের ভবিষ্যৎ নেতারূপে তারেক রহমানকে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দলের চেয়ারম্যানই ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হতে পারেন। এই মন্তব্যটি দলের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা ও রাজনৈতিক পরিকল্পনার ইঙ্গিত দেয়।

প্রেসব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির বিভিন্ন সদস্য, যার মধ্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এবং ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অন্তর্ভুক্ত। উপস্থিতি দলীয় ঐক্য ও নীতি নির্ধারণে সমন্বয়কে নির্দেশ করে।

তাদের উপস্থিতি এবং একত্রে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিএনপি দেশের পররাষ্ট্র নীতি পুনর্গঠনে একটি স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে চায়। এই দৃষ্টিভঙ্গি দেশের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ভিত্তিক।

পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতিতে এই নীতি ঘোষণার প্রভাব উল্লেখযোগ্য হতে পারে। যদি দলটি জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে কূটনৈতিক নীতি গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি বজায় রাখে, তবে ভোটারদের মধ্যে বিশ্বাস বাড়তে পারে এবং নির্বাচনী সমর্থন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।

অন্যদিকে, শাসনকর্তা আওয়ামী লীগ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দলও দেশের পররাষ্ট্র নীতি নিয়ে সমান গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। যদিও এখনো কোনো সরাসরি মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি, তবে ভবিষ্যতে এই বিষয়টি নিয়ে পারস্পরিক আলোচনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রত্যাশিত।

বিএনপি কর্তৃক উল্লিখিত নীতি দিকনির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য দলীয় নীতি সংস্থা ও কূটনৈতিক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় প্রয়োজন হবে। পরবর্তী সপ্তাহে নীতি খসড়া প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলোতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

সংক্ষেপে, তারেক রহমানের এই ঘোষণায় স্পষ্ট হয়েছে যে, দেশের মানুষের মঙ্গলে ভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতি গঠন করা হবে এবং এটি দলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশলের একটি মূল অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে। এই দৃষ্টিভঙ্গি দেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments