বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে রাইজিং স্টার্স এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ৪ রানের পার্থক্যে জয়লাভ করে টুর্নামেন্টের সূচনা করেছে। শ্রীলঙ্কা ২০ ওভারে ১১১ রান করে শেষ করেছে, আর বাংলাদেশ ১৯.৫ ওভারে ১১৫ রান সংগ্রহ করে ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ করে।
শ্রীলঙ্কা ইনিংসের মাঝামাঝি সময়ে সানজিদা আক্তার মেঘলার বল থেকে আমা কাঞ্চানা ছক্কা মারার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনা বেড়ে যায়। ১৫ ওভারে শ্রীলঙ্কা দলের কাছে ২১ রান বাকি থাকে এবং পাঁচটি উইকেট শূন্য। একই ওভারে মেঘলা ধারাবাহিক দুই বলের মধ্যে দু’টি উইকেট নেয়, যা ম্যাচের গতি পরিবর্তন করে এবং শ্রীলঙ্কা শেষের সমীকরণ পূরণে অক্ষম হয়।
বাংলাদেশের শুরুর ব্যাটিং শক্তিশালীভাবে শুরু হয়। প্রথম বলেই ইশমা তানজিম বাউন্ডারিতে রানের সূচনা করেন এবং পাওয়ার প্লে পর্যন্ত ৪৮ রান যোগ করেন। শামীমা সুলতানা, যদিও ঝড় তুলতে পারেননি, তবে উইকেট না হারিয়ে দলের স্থিতি বজায় রাখেন। শামীমা ১৯ বলে ১৭ রান করে আউট হন, ফলে পাওয়ার প্লের গতি কিছুটা ধীর হয়ে যায়।
ইশমা তানজিমের পর ইশমা (ইশমা) ২৫ বলে ৩০ রান করে বিদায় নেন, যা দলের মোট স্কোরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। রুবাইয়া হায়দার এবং তাজ নেহার দুজনই সংক্ষিপ্ত সময়ে আউট হন; রুবাইয়া ২০ বলে মাত্র ১১ রান এবং তাজ মাত্র দুই বলে ১১ রান করে। শারমিন সুলতানা অধিনায়ক ফাহিমা খাতুনের সঙ্গে জুটি গঠন করে, কিন্তু শারমিন ২৭ বলে ২৯ রান করে শেষ পর্যন্ত আউট হন।
শারমিনের পর মহাধস ব্যাটিংয়ে নামেন, তবে শেষ ছয় উইকেট মাত্র ১১ রনে হারিয়ে দলের স্কোর ১১৫-৯ে স্থির হয়। শেষের ওভারগুলোতে মেঘলা ৪ বলে ২০ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন, যা শ্রীলঙ্কার স্কোরকে সীমিত রাখতে সহায়তা করে। শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা ২০ ওভারে ১১১ রান করে, ৯টি উইকেটের সঙ্গে শেষ করে, ফলে বাংলাদেশ ৪ রানে জয়ী হয়।
বোলিং দিক থেকে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল সাঞ্চিনি ৪ ওভারে ১৪ রান দিয়ে ৪টি উইকেট নেন, মালশা ২ উইকেট এবং সাথিয়া ২ উইকেট নেন। শ্রীলঙ্কা নারী ক্রিকেট দলের তরফে শরিফা ৪ ওভারে ১ উইকেট, মেঘলা ৩ উইকেট, ফাহিমা ২ উইকেট, জান্নাতুল ১ উইকেট এবং লতা ২ উইকেট নেন। উভয় দলে বেশ কিছু তরুণ স্পিনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
এই জয় দিয়ে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল রাইজিং স্টার্স এশিয়া কাপের পরবর্তী রাউন্ডে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রবেশ করবে। পরবর্তী ম্যাচে তারা একই গ্রুপের আরেকটি দলের মুখোমুখি হবে, যা টুর্নামেন্টের অগ্রগতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হবে।



