দ্বিতীয় ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে জাতীয় চার্টার অনুসারে সংবিধান সংস্কারের জন্য অনুষ্ঠিত রেফারেন্ডে, ভোটারদের অধিকাংশই অংশগ্রহণ করে স্পষ্টভাবে পরিবর্তনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. আলি রিয়াজের বিশেষ সহকারী প্রফেসর আলি রিয়াজ আজ ঢাকা বিদেশি সেবা একাডেমিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে ফলাফল জানিয়েছেন। তিনি রেফারেন্ডের গুরুত্ব ও পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেন।
নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মোট ৭৭,৬৯৫,০২৩ ভোটার রেফারেন্ডে অংশ নেয়, যা মোট নিবন্ধিত ভোটারদের প্রায় ৬০.৮৪ শতাংশ। এই উপস্থিতি পূর্ববর্তী সংসদীয় নির্বাচনের তুলনায় সামান্য বেশি বলে রায়দাতা উল্লেখ করেন। তিনি যোগ করেন, উচ্চ অংশগ্রহণের হার জনগণের সংবিধানিক পরিবর্তনের প্রতি তীব্র আগ্রহের সূচক।
ভোটের ফলাফল দেখায়, ৪৮,২০০,৬৬০ ভোটার, অর্থাৎ ৬৮.০৬ শতাংশ, ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন, যেখানে ২২,০৭১,৭২৬ ভোটার, প্রায় ৩১ শতাংশ, ‘না’ ভোটে পছন্দ প্রকাশ করেছেন। অবশিষ্ট কয়েক শতাংশ অনুপস্থিত বা বাতিল ভোট হিসেবে গণ্য হয়েছে। মোট ভোটের সংখ্যা রেফারেন্ডের বৈধতা নিশ্চিত করে।
প্রফেসর আলি রিয়াজের মতে, এই সংখ্যাগুলি শুধুমাত্র পরিসংখ্যান নয়; এগুলো জনগণের সংবিধানিক সংস্কারের প্রতি স্পষ্ট ইচ্ছা প্রকাশ করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নাগরিকরা পুরনো ব্যবস্থায় ফিরে যেতে চান না, বরং রাষ্ট্র কাঠামোতে মৌলিক পরিবর্তন চান। রিয়াজ যুক্তি দেন, বর্তমান ভোটের প্রবণতা স্থিতাবস্থাকে বজায় রাখার চেয়ে রূপান্তরের দিকে ঝুঁকেছে।
রিয়াজ উল্লেখ করেন, রেফারেন্ডের ভোটার উপস্থিতি সংসদীয় নির্বাচনের তুলনায় সামান্য বেশি, যদিও তিনটি নির্বাচনী এলাকার চূড়ান্ত ফলাফল এখনও যোগ করা বাকি। এই তিনটি এলাকার ফলাফল যুক্ত হলে, মোট উপস্থিতি পার্থক্য কমে যেতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সম্পূর্ণ ড



