শুক্রবার লিগ ১-এ রেনেসের ঘরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইন ৩-১ তে হেরে শিরোপা শিরোপা তালিকায় শীর্ষস্থান বজায় রাখে। ব্যালন ডি’অর জয়ী উসমান দেম্বেলে একক গোলের মাধ্যমে দলকে সমর্থন করলেও, রেনেসের আক্রমণাত্মক খেলা শেষ পর্যন্ত বেশি প্রভাবশালী ছিল।
প্রথমার্ধে রেনেসের খেলোয়াড়রা তীব্র চাপ সৃষ্টি করে এবং ৩৩ মিনিটে জর্ডানের মিডফিল্ডার মুসা আল তামারি গোলের সুযোগ তৈরি করেন। আল তামারি ডিফেন্ডারদের মধ্যে ফাঁক খুঁজে বের করে বক্সের প্রান্তে দুর্দান্ত শটে বলকে জালে পাঠিয়ে রেনেসকে প্রথম গোলের সুবিধা দেন।
গোলের পর প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইনের আক্রমণ কিছুটা থেমে যায়, খেলোয়াড়রা গোলের সামনে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে দেখা যায়। মাঝামাঝি সময়ে রেনেসের সেন্টার ফরোয়ার্ড এস্তেবান লেপল হেডের মাধ্যমে স্কোরকে দ্বিগুণ করেন, যা রেনেসের নেতৃত্বকে দৃঢ় করে।
লেপলের গোলের মাত্র দুই মিনিট পর রেনেসের সাবেক খেলোয়াড় উসমান দেম্বেলে প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইনের হয়ে সমান করার চেষ্টা করেন। দেম্বেলে পেনাল্টি এলাকার কাছাকাছি থেকে বলকে সঠিকভাবে গড়িয়ে রেনেসের গার্ডকে পেরিয়ে একক গোল করেন, ফলে স্কোর ২-১ হয়ে ওঠে।
দলটি আবারও আক্রমণ চালিয়ে যায়, তবে রেনেসের প্রতিরক্ষা দৃঢ় থাকে। শেষের দিকে ৮১তম মিনিটে রেনেসের ব্রিল এমবোলো দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে গোল করেন, যা রেনেসের তৃতীয় গোল হয়ে স্কোরকে ৩-১ করে দেয় এবং ম্যাচের ফলাফল নিশ্চিত করে।
চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইন ৩-১ হারে রেনেসের কাছে পরাজিত হয়। তবে এই পরাজয় সত্ত্বেও দলটি ২২ ম্যাচে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে লিগের শীর্ষে অবস্থান বজায় রাখে। লেন্সের সঙ্গে পয়েন্টের পার্থক্য মাত্র দুই, ফলে শীর্ষস্থান রক্ষা করতে পরবর্তী ম্যাচে জয় অপরিহার্য।
পরবর্তী শনিবার প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইন প্যারিস এফসিকে (Paris FC) এর মুখোমুখি হবে। যদি এই ম্যাচে দলটি হারে, তবে লেন্স শীর্ষে উঠে আসার সম্ভাবনা তৈরি হবে। তাই প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইনের জন্য এই ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অন্যদিকে রেনেসের অবস্থানও উন্নত হয়েছে; রেনেস লিলকে পেছনে ফেলে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে। রেনেসের এই জয় দলকে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার যোগ্যতা অর্জনের পথে দৃঢ় করে তুলেছে।
সারসংক্ষেপে, রেনেসের আক্রমণাত্মক খেলা এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে করা গোলগুলো প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। উসমান দেম্বেলের একক গোল সত্ত্বেও দলটি সামগ্রিকভাবে হারের মুখে পড়ে, তবে শীর্ষস্থান রক্ষার জন্য পরবর্তী ম্যাচে জয় নিশ্চিত করা জরুরি।



