18 C
Dhaka
Saturday, February 14, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিশফিকুল আলম তাসনিম জারার পরাজয়ে নারী সংগঠনকে দায়িত্বহীন বললেন

শফিকুল আলম তাসনিম জারার পরাজয়ে নারী সংগঠনকে দায়িত্বহীন বললেন

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ১৩ ফেব্রুয়ারি তার যাচাইকৃত ফেসবুক প্রোফাইলে তাসনিম জারার পার্লামেন্টীয় নির্বাচনে পরাজয়ের পিছনে নারী ও নারীবাদী সংগঠনগুলোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, নারী সংসদ সদস্য প্রার্থীদের প্রতি দায়িত্ব পালন করতে এই সংগঠনগুলো ব্যর্থ হয়েছে।

আলমের পোস্টে বলা হয়েছে, সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব নিয়ে নারী সংগঠনগুলো প্রায়ই উচ্চস্বরে ও আবেগপ্রবণ বক্তব্য রাখলেও বাস্তবে নির্বাচনী মাঠে পুরুষপ্রাধান্য বজায় রয়েছে, ফলে তাসনিম জারা প্রায় একা লড়াই করতে বাধ্য হয়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, তাসনিমের পক্ষে ঘরে ঘরে প্রচার চালানো, সমর্থকদের বাড়িতে ঘুরে দেখা বা সমাবেশের আয়োজনের মতো কার্যক্রমগুলো নারী সংগঠনগুলোর মধ্যে খুব কমই দেখা গেছে। এমন কোনো সমন্বিত প্রচারাভিযান বা সংহতি প্রকাশের ঘটনা বিরল ছিল।

ঢাকার কঠিন রাজনৈতিক পরিবেশে তাসনিমকে জাতীয় আলোচনায় তুলে ধরার জন্য কোনো প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি, ফলে তিনি হাতে গোনা কয়েকজন সহযোদ্ধা ও সমর্থকের সঙ্গে একা লড়াই চালিয়ে গেছেন। আলম এ বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন, কেন নারী সংগঠনগুলো তার পাশে দাঁড়ায়নি?

তার পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অনেক নারী সংগঠন শীতাতপনিয়ন্ত্রিত মিলনায়তন ও হোটেলের সম্মেলন কক্ষে সেমিনার আয়োজনের কাজে ব্যস্ত, তবে মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার দৃশ্য কমই দেখা যায়।

প্রখ্যাত আলোকচিত্রী ও শ্রমিকনেত্রী তাসলিমা আখতারের কথাও আলম উল্লেখ করেন, তিনি বলছেন তাসলিমা আখতারও নির্বাচনী মাঠে প্রায় একাই ছিলেন। এ থেকে তিনি নারী সংগঠন, নারী শ্রমিক অধিকারকর্মী, নারী সাংবাদিক ও নারী চিকিৎসকদের কতজন তাসনিমের পাশে ছিলেন তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

আলম আরও জানতে চান, কতজন নারী কর্মী তাসনিমের সঙ্গে সময় কাটিয়ে তার সংগ্রামের ইতিহাস লিপিবদ্ধ করেছেন বা তার গল্পকে জনমুখে তুলে ধরেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এ ধরনের সমর্থন না থাকলে নারী প্রার্থীদের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ কঠিন হয়ে যায়।

পোস্টের শেষ অংশে আলমের মন্তব্য স্পষ্ট: নারী সংগঠনগুলো নারী সংসদ সদস্য প্রার্থীদের প্রতি তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি এ বিষয়টি নিয়ে যতই ভাবা যায়, ততই এই ধারণা শক্তিশালী হয়।

শফিকুল আলমের ফেসবুক পোস্টটি প্রকাশের পর রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সমাজকর্মীদের মধ্যে তীব্র আলোচনা শুরু হয়। বেশ কয়েকজন মন্তব্য করেছেন, নারীর অধিকার সংস্থা ও এনজিওগুলোকে ভবিষ্যতে নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা ইঙ্গিত করছেন, এই সমালোচনা নারীর সংগঠনগুলোর কৌশলগত পুনর্বিবেচনা এবং মাঠে উপস্থিতি বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে পারে। তারা আশা করছেন, পরবর্তী নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের জন্য আরও সমন্বিত সমর্থন ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।

অবশেষে, শফিকুল আলমের এই প্রকাশনা নারী সংগঠনগুলোর কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করেছে, যা দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নারীর অবস্থানকে পুনর্নির্ধারণের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments