20 C
Dhaka
Saturday, February 14, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনদস্তান জুডাস প্রিস্টের ডকুমেন্টারি ‘দ্য ব্যালাড’ প্রকাশিত, মেটাল সংস্কৃতির বৈচিত্র্য উন্মোচন

দস্তান জুডাস প্রিস্টের ডকুমেন্টারি ‘দ্য ব্যালাড’ প্রকাশিত, মেটাল সংস্কৃতির বৈচিত্র্য উন্মোচন

২০২৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে “দ্য ব্যালাড অফ জুডাস প্রিস্ট” শিরোনামের ডকুমেন্টারি প্রিমিয়ার হয়। এই চলচ্চিত্রটি ব্রিটিশ হেভি মেটাল ব্যান্ড জুডাস প্রিস্টের ইতিহাস, তাদের সঙ্গীতের প্রভাব এবং ফ্রন্টম্যান রব হ্যালফোর্ডের গে পরিচয়কে কেন্দ্র করে তৈরি।

চলচ্চিত্রের পরিচালনা দায়িত্বে আছেন স্যাম ডান, যিনি সঙ্গীত বিষয়ক ডকুমেন্টারিতে পরিচিত, এবং টম মোরেল্লো, রেজ অগেইনস্ট দ্য মেশিনের গিটারিস্ট, যিনি রাজনৈতিক সক্রিয়তার সঙ্গে সঙ্গীতকে যুক্ত করার জন্য খ্যাত। দুজনই মেটাল জগতের অতীত ও বর্তমানকে একসাথে তুলে ধরতে চেয়েছেন।

প্রারম্ভিক দৃশ্যে কমেডিয়ান ও টেনেসিয়াস ডি ব্যান্ডের প্রধান জ্যাক ব্ল্যাককে দেখা যায়, যিনি জুডাস প্রিস্টের ১৯৮২ সালের হিট গানের লিরিক্সকে গম্ভীর স্বরে উপস্থাপন করেন। এই দৃশ্যটি মেটালের উচ্চস্বরে গাইতে থাকা আত্মাকে জোর দিয়ে তুলে ধরে।

রব হ্যালফর্ডের উপস্থিতি চলচ্চিত্রে বিশেষ দৃষ্টিনন্দন। তিনি “দিস ইজ স্পাইনাল ট্যাপ” ছবির বিখ্যাত “টার্ন ইট আপ টু ইলেভেন” লাইনটি স্মরণ করে হাস্যকর মন্তব্য করেন, যা মেটাল ও তার প্যারোডির মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ককে প্রকাশ করে।

সহ-পরিচালক স্যাম ডান উল্লেখ করেন যে মেটাল ভক্তরা স্পাইনাল ট্যাপ এবং ওয়েইন’স ওয়ার্ল্ডের রসিকতাকে স্বাগত জানায়। এই স্ব-সচেতনতা জেনারটির অতিরিক্ততা ও নাটকীয়তাকে স্বীকার করার একটি দিক হিসেবে দেখা হয়।

ডকুমেন্টারিটি মেটালকে শুধুমাত্র সাদা, পুরুষত্বপূর্ণ ও রক্ষণশীল সংস্কৃতি হিসেবে সীমাবদ্ধ না করে, তার বহুমুখিতা ও বৈপরীত্যকে তুলে ধরতে চায়। এতে দেখা যায় যে জেনারটি বহু বছর ধরে বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

এই দৃষ্টিভঙ্গি আরও স্পষ্ট করতে টম মোরেল্লো রেইনবো বার অ্যান্ড গ্রিল, সানসেট স্ট্রিপের ঐতিহাসিক স্থানে একটি “জুডাস প্রিস্ট রাউন্ডটেবিল” আয়োজন করেন। এখানে বিভিন্ন শৈলীর সঙ্গীতশিল্পী একত্রিত হন।

রাউন্ডটেবিলে উপস্থিত ছিলেন রানের-ডিএমসি’র ড্যারিল ম্যাকড্যানিয়েলস, অ্যান্থ্র্যাক্সের স্কট ইয়ান, স্ম্যাশিং পাম্পকিনসের বিলি করগান এবং হ্যালেস্টর্মের লিজি হেল। প্রত্যেকেই মেটালের সঙ্গে তাদের ব্যক্তিগত সংযোগ ও প্রভাব শেয়ার করেন।

আলোচনায় প্রকাশ পায় যে হিপ‑হপ, গ্রাঞ্জ এবং হার্ড রক শিল্পীও জুডাস প্রিস্টের সাউন্ড থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছেন, এবং হ্যালফোর্ডের যৌন পরিচয় মেটাল জগতে অন্তর্ভুক্তির নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।

চলচ্চিত্রটি ব্যান্ডের ক্যারিয়ারকে সময়ের ধাপে ধাপে অনুসরণ করে, ১৯৭০-এর দশকের গঠন থেকে শুরু করে “স্ক্রিমিং ফর ভেঞ্জেন্স” সহ গুরুত্বপূর্ণ অ্যালবামগুলো এবং ২০২২ সালের ট্যুর পর্যন্ত সবকিছু তুলে ধরে। হ্যালফর্ডের স্টেজ পারফরম্যান্স এখনও দর্শকদের মুগ্ধ করে।

সমালোচকরা উল্লেখ করেন যে ডকুমেন্টারিটি আর্কাইভ ফুটেজ, কনসার্টের দৃশ্য এবং আধুনিক সাক্ষাৎকারের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র প্রদান করে, অতিরঞ্জন না করে বিষয়ের মূলমর্মকে তুলে ধরে।

সারসংক্ষেপে, “দ্য ব্যালাড অফ জুডাস প্রিস্ট” বাংলা দর্শকদের জন্য মেটাল জগতের গভীরতা ও তার অন্তর্ভুক্তিমূলক দিকগুলোকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করে, যা সঙ্গীতের সীমা ভাঙার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments