22 C
Dhaka
Friday, February 13, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিজাতীয় নাগরিক দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের...

জাতীয় নাগরিক দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ

১৩ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকালে জাতীয় নাগরিক দলের মুখপাত্র ও নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ফেসবুকে একটি পোস্টে জানিয়েছেন যে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ওপর হিংসাত্মক আক্রমণ চালানো হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই আক্রমণগুলোতে তাদের বাড়িঘর ও পরিবারের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে।

আসিফ মাহমুদের পোস্টে তিনি সরাসরি জোটের বিজয়ী সদস্যদের আহ্বান জানান, “যারা বিজয়ী হয়েছে তারা আপনাদের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করুন” এবং যুক্তি দেন যে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সূচনা যদি বিরোধী দল ও মতের মানুষদের নিপীড়নের মাধ্যমে হয়, তা পুরো জোটের জন্য লজ্জাজনক হবে।

এই অভিযোগের পটভূমিতে গত বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন রয়েছে। নির্বাচনের দিন সকাল ৭:৩০ থেকে বিকেল ৪:৩০ পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চালু ছিল এবং ভোট গোনার কাজ রাতের পরেই বেসরকারিভাবে শুরু হয়।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) এখন পর্যন্ত বেসরকারিভাবে ২৯৭টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছে। ফলাফলে দেখা যায়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়ী হয়েছে।

এরপর জামায়াত-এ-ইসলামি ৬৮টি আসনে স্থান পেয়েছে। এই দুই দলই জোটের মূল অংশ হিসেবে নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

জাতীয় নাগরিক দল, যা ১১ দলীয় জোটের অংশ, ৬টি আসনে জয়ী হয়েছে। যদিও সংখ্যায় কম, তবে জোটের সমগ্র শক্তি বৃদ্ধিতে এই ফলাফলকে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসও ২টি আসনে জয়লাভ করেছে, যা জোটের বহুমুখী সমর্থনকে প্রতিফলিত করে।

আসিফ মাহমুদের অভিযোগের সঙ্গে সঙ্গে জোটের অভ্যন্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, নেতাকর্মীদের বাড়ি ও পরিবারে হুমকি বাড়ার ফলে রাজনৈতিক পরিবেশে অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে।

বিএনপি ও জামায়াত-এ-ইসলামি উভয়ই নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে এবং জোটের সাফল্যকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বীকৃতি হিসেবে তুলে ধরেছে। তবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের প্রতি তারা স্পষ্ট কোনো মন্তব্য করেনি।

জাতীয় নাগরিক দলের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়েছে। দলীয় কর্মকর্তারা বলছেন, আক্রমণমূলক কর্মকাণ্ডের দায়ী ব্যক্তিদের দ্রুত সনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, নির্বাচনের পরপরই নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগ উঠে আসা রাজনৈতিক উত্তেজনার সূচক হতে পারে। তবে জোটের অভ্যন্তরে সমন্বয় ও শৃঙ্খলা বজায় রাখলে এই ধরনের ঘটনা কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পরবর্তী সময়ে জোটের নেতৃত্বের কাছ থেকে নিরাপত্তা পরিকল্পনা ও সমন্বিত পদক্ষেপের বিস্তারিত জানানো প্রত্যাশিত। নির্বাচনের ফলাফল ও জোটের ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণে এই বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এই পরিস্থিতিতে জাতীয় নাগরিক দল ও জোটের অন্যান্য সদস্যদের সমন্বিতভাবে কাজ করা এবং হিংসা-মুক্ত রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments