22 C
Dhaka
Friday, February 13, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিনতুন সরকারের প্রতি এক নারীর দাবি: নিরাপদ শহর ও কাঠামোগত সুরক্ষা

নতুন সরকারের প্রতি এক নারীর দাবি: নিরাপদ শহর ও কাঠামোগত সুরক্ষা

ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ – দেশের সর্বশেষ নির্বাচনের পর, একজন নাগরিক নারী একটি বার্তা প্রকাশ করে নতুন সরকারকে তার প্রত্যাশা জানিয়ে দেন। তিনি ভোটদান প্রক্রিয়ার বাস্তবতা, ভোটের পেছনের গণনা এবং নারীর নিরাপত্তা ও অধিকার সংক্রান্ত শর্তসাপেক্ষ বিশ্বাসের বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন।

বক্তা উল্লেখ করেন, তার প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে প্রথমবার তিনি ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে এমন একটি অনুভূতি পেয়েছেন যা পূর্বের কোনো নির্বাচনের তুলনায় বেশি বাস্তবিক ছিল। তিনি বলেন, পূর্বে ভোটের ফলাফল সম্পর্কে রাতারাতি গুজব ও পূর্বাভাসের ভেতরে গিয়ে ভোটের অর্থহীনতা অনুভব করা হতো, কিন্তু এইবার ভোটের প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, তার প্রজন্মের ভোটদান কেবল আনুষ্ঠানিক নাগরিকত্বের পারফরম্যান্স নয়, প্রকৃত নাগরিকত্বের অনুশীলন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ভোটের সময় তিনি কোনো রোমান্টিক বা আদর্শিক প্রেরণায় নয়, বরং যুক্তিসঙ্গত গণনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি দুইটি রাজনৈতিক বিকল্পের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরেছেন: একদিকে এমন একটি রাজনীতি যা নারীর ভূমিকা সংকুচিত করে, অন্যদিকে এমন একটি দল যার ইতিহাসে গঠনমূলক শক্তি, পৃষ্ঠপোষকতা ও রাস্তার প্রভাবের চিহ্ন রয়েছে।

বক্তা স্পষ্টভাবে বলেন, তিনি কোনো আদর্শিক অনুপ্রেরণায় নয়, বরং ঝুঁকি কমাতে গণনা করে ভোট দিয়েছেন। তিনি বলেন, তিনি বৃহত্তর হুমকিকে আইনগত রূপ নিতে না দেওয়ার জন্য ছোট ঝুঁকি বেছে নিয়েছেন এবং সেইজন্য নতুন সরকারকে বেছে নিয়েছেন। এই নির্বাচনকে তিনি শর্তসাপেক্ষ বিশ্বাসের ভিত্তিতে দেখেন, না যে কোনো অটল আনুগত্যের ভিত্তিতে।

বক্তা উল্লেখ করেন, নতুন সরকারকে সংসদে প্রবেশের সময় তিনি জানেন তারা অতীতে কীভাবে কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতে কী হতে পারে তা নিয়ে আশাবাদী নন, বরং শর্তসাপেক্ষ প্রত্যাশা রাখেন। তিনি বলেন, সরকারকে একটি ‘প্রোবেশনাল কন্ট্র্যাক্ট’ হিসেবে দেখা উচিত, যেখানে নারীরা কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবে।

তিনি আরও যোগ করেন, অনেক ভোটার ভয়কে অতিক্রম করে ভোট দিয়েছেন, কোনো নির্দিষ্ট মতাদর্শের জন্য নয়। ভোটের মাধ্যমে তারা তাদের জীবনকে ধর্মীয় কমিটিতে আলোচনার বিষয় হওয়া থেকে রক্ষা করতে চেয়েছেন এবং তাদের স্বপ্নের জন্য অনুমতি পত্রের প্রয়োজন না থাকুক এমন একটি পরিবেশ চাইছেন। তিনি বলেন, যদিও সেক্যুলার রাজনীতি ত্রুটিপূর্ণ, তবুও তা বিতর্ক, সংগঠন ও প্রতিরোধের সুযোগ দেয়, যা অপরিহার্য।

বক্তা শেষ অংশে নতুন সরকারের প্রতি স্পষ্ট চাহিদা জানিয়ে দেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকারকে গ্যাং-ভিত্তিক শাসনের বদলে সুষ্ঠু শাসন প্রদান করতে হবে, আইন শাসনকে প্রাধান্য দিতে হবে এবং রাস্তায় ও কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, নারীর জন্য কেবল প্রতীকী সম্মান নয়, কাঠামোগত সুরক্ষা প্রয়োজন, যাতে রাতে বাড়ি ফেরার সময় সাহসিকতার পরিবর্তে স্বাভাবিকতা হয়ে ওঠে।

বক্তার বার্তা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নারীর অবস্থান ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সূচনা করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন সরকার এই শর্তসাপেক্ষ বিশ্বাসকে বাস্তবে রূপান্তরিত করে নারীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

এই প্রকাশনা সামাজিক মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক গোষ্ঠীর কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে। সরকারী পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি, তবে ভবিষ্যতে নীতি নির্ধারণে এই ধরনের নাগরিকের চাহিদা বিবেচনা করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments