26 C
Dhaka
Friday, February 13, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনমিশেল ইউহ বেরলিন গল্ডেন বেয়ার সম্মাননা গ্রহণ, সি.ই.উ.তে রাজনীতি না বলে সিনেমা...

মিশেল ইউহ বেরলিন গল্ডেন বেয়ার সম্মাননা গ্রহণ, সি.ই.উ.তে রাজনীতি না বলে সিনেমা ও বৈচিত্র্যের ওপর জোর দিলেন

মালয়েশিয়ার অভিনেত্রী মিশেল ইউহ ২০২৩ সালের বেরলিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সম্মানজনক গল্ডেন বেয়ার পুরস্কার গ্রহণের পর শুক্রবার সকালে একটি নির্ধারিত প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত হন। এই অনুষ্ঠানটি পুরস্কার বিতরণীর পরপরই অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে তিনি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র জগতের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

প্রেস কনফারেন্সে ইউহকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিবেশ সম্পর্কে তার মতামত জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি তা নিয়ে মন্তব্য না করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, তিনি নিজেকে এমন অবস্থানে দেখেন না যেখানে তিনি আমেরিকান রাজনীতির জটিলতা সম্পর্কে যথাযথভাবে কথা বলতে পারেন, এবং তাই অজানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা উপযুক্ত হবে না।

এরপর তিনি আলোচনার দিক পরিবর্তন করে চলচ্চিত্রের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি উল্লেখ করেন, যদিও কিছু মানুষ দাবি করেন যে আধুনিক সময়ে মানুষের মনোযোগের সময় কমে যাওয়ায় সিনেমা টিকে থাকবে না, তবুও তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে সিনেমা এখনও মানুষের জীবনে অপরিহার্য ভূমিকা রাখে।

সিনেমা দেখার সময় দর্শকরা ফোন বন্ধ করে, নিজের পছন্দের গল্পে মনোনিবেশ করে, তখনই হৃদয় খুলে যায় এবং মন মুক্ত হয়, এটাই তিনি তার অভিজ্ঞতা হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে মানুষ নিজের সঙ্গে একা সময় কাটাতে পারে এবং তা মানসিক শিথিলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

সিনেমাকে তিনি একটি সমবেত স্থান হিসেবে উপস্থাপন করেন, যেখানে মানুষ হাসে, কাঁদে, উদযাপন করে এবং একে অপরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই ঐতিহ্যকে বজায় রাখা এবং নতুন প্রজন্মকে সিনেমার প্রতি আগ্রহী করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।

একজন ইউরোপীয় সাংবাদিক ইউহকে হলিউডে সংখ্যালঘুদের সাফল্যের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি স্বীকার করেন যে বৈচিত্র্য সংক্রান্ত নীতি এখনও সম্পূর্ণ রূপে কার্যকর হয়নি এবং তা এক রাতের মধ্যে পরিবর্তন হয় না। তিনি বলেন, এই ধরনের বিষয়গুলো ধীরে ধীরে অগ্রসর হয় এবং তাৎক্ষণিক সমাধান পাওয়া কঠিন।

বৈচিত্র্যের ক্ষেত্রে অব্যাহত সংগ্রামের কথা বলার পাশাপাশি তিনি নিজের ভাগ্যকে কৃতজ্ঞতা দিয়ে স্বীকার করেন যে তিনি এমন কিছু চলচ্চিত্রের অংশ হতে পেরেছেন যা সামাজিক সীমা ভাঙতে সহায়তা করে। তিনি উল্লেখ করেন, এমন প্রকল্পে কাজ করা তাকে গর্বিত করে এবং ভবিষ্যতে আরও সমান সুযোগের জন্য তিনি আশাবাদী।

ইউহের এই সম্মানজনক পুরস্কার গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে তিনি স্যান বেকার নামের আমেরিকান পরিচালক সঙ্গে কাজ করা একটি ছোট চলচ্চিত্র ‘সান্দিওয়ারা’র প্রিমিয়ারও দেখেছেন, যা বেরলিন ফেস্টিভ্যালে একই সঙ্গে প্রদর্শিত হয়েছে। এই সংক্ষিপ্ত চলচ্চিত্রটি তাদের পারস্পরিক সৃজনশীল সহযোগিতার নতুন দিক উন্মোচন করেছে।

মিশেল ইউহের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট হয় যে তিনি চলচ্চিত্র শিল্পকে তার প্রধান মঞ্চ হিসেবে দেখেন এবং বৈচিত্র্যের উন্নতির জন্য ধৈর্য ও অব্যাহত প্রচেষ্টা প্রয়োজন বলে মনে করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে বেরলিনের এই সম্মান তার মতো শিল্পীদের জন্য আরও বেশি সুযোগ তৈরি করবে এবং বিশ্বব্যাপী সিনেমা প্রেমীদের জন্য সমৃদ্ধি ও সমতা নিশ্চিত করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments