18.9 C
Dhaka
Friday, February 13, 2026
Google search engine
HomeরাজনীতিSAVE America Act ভোটার আইডি ও নাগরিকত্ব প্রমাণের বাধ্যতামূলক বিধান পাস

SAVE America Act ভোটার আইডি ও নাগরিকত্ব প্রমাণের বাধ্যতামূলক বিধান পাস

যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস এই সপ্তাহে একটি বিল পাস করেছে, যা মধ্যমেয়াদী নির্বাচনের আগে ভোটারদের নাগরিকত্ব প্রমাণ এবং ফটো আইডি প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করবে। আইনটি “সেইফগার্ড আমেরিকান ভোটার এলিজিবিলিটি” (SAVE America Act) নামে পরিচিত।

SAVE America Act অনুসারে, ভোটারকে নিবন্ধনের সময় বৈধ যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট অথবা জন্ম সনদ জমা দিতে হবে। এছাড়া, ভোটদানকালে সরকারী ফটো পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। এই শর্তগুলো পূর্বে ফেডারেল নির্বাচনে বাধ্যতামূলক ছিল না।

কিছু রাজ্যে ইতিমধ্যে ভোটের সময় ফটো আইডি দেখানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবে অধিকাংশ রাজ্য ভোটার নিবন্ধনে নাগরিকত্বের প্রমাণ চায় না। তাই এই ফেডারেল স্তরের বিধান বিদ্যমান রাজ্য আইনকে আরও কঠোর করবে।

ফেডারেল আইন অনুযায়ী, জাতীয় নির্বাচনে ভোটারকে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হতে হবে, কিন্তু নাগরিকত্বের লিখিত প্রমাণ জমা দিতে বাধ্য করা হয়নি। SAVE Act এই ফাঁকটি বন্ধ করে, ভোটারকে পাসপোর্ট বা জন্ম সনদ মতো নথি উপস্থাপন করতে বলবে।

বিলের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা হল নাম পরিবর্তন করা ভোটারদের জন্য অতিরিক্ত নথি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা। নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে, যেমন বিবাহের পর নতুন নাম গ্রহণ করা হলে, ভোটারকে অতিরিক্ত পরিচয়পত্র বা নথি প্রদান করতে হবে।

এই ধারা বিশেষভাবে বিবাহের পর নাম পরিবর্তন করা ব্যক্তিদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, কারণ তাদের পুরনো নথি ও নতুন নামের মিল না থাকলে ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারে। সমালোচকরা বলছেন, এই প্রয়োজনীয়তা প্রায়শই প্রশাসনিক জটিলতা বাড়ায়।

গণতান্ত্রিক দল এই আইনকে ভোটার অধিকার হ্রাসের ঝুঁকি হিসেবে দেখছে। তাদের মতে, নাগরিকত্বের প্রমাণের কঠোর শর্তে বহু যোগ্য ভোটার ভোট দিতে অক্ষম হতে পারেন।

রিপাবলিকান পার্টি আইনটি ভোটার জালিয়াতি রোধের জন্য অপরিহার্য বলে দাবি করছে। তারা যুক্তি দিচ্ছে, ফটো আইডি ও নাগরিকত্বের নথি ছাড়া ভোটার পরিচয় নিশ্চিত করা কঠিন।

বিলটি সেনেটের সামনে চ্যালেঞ্জের মুখে। বর্তমানে রিপাবলিকান পার্টির বেশিরভাগ সেনেটরই এই প্রস্তাবের পক্ষে না, ফলে আইনটি পাসের জন্য যথেষ্ট সমর্থন সংগ্রহ করতে পারবে না।

বিলের বিধান অনুযায়ী, যদি কোনো নির্বাচন কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ ছাড়া ভোটারকে নিবন্ধন করেন, তবে তাকে অপরাধমূলক শাস্তির মুখোমুখি হতে হতে পারে। এই শাস্তি ভোটার নিবন্ধনের প্রক্রিয়ায় সতর্কতা বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ব্রেনান সেন্টার ফর জাস্টিস ও মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড সিভিক এনগেজমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ২১ মিলিয়ন আমেরিকান নাগরিকত্বের নথি হাতে রাখেন না, এবং ২.৬ মিলিয়ন নাগরিকের কোনো সরকারী ফটো আইডি নেই।

পিউ রিসার্চ সেন্টারের গত বছরের জরিপে দেখা গেছে, ৮৩ শতাংশ উত্তরদাতা ভোটের সময় সরকারী ফটো আইডি দেখানোর প্রয়োজনীয়তা সমর্থন করেন। এই সমর্থন আইন প্রণেতাদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক সূচক।

বিলটি পাস হলে, ভোটার নিবন্ধন ও ভোটদান প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে, বিশেষ করে যেসব ভোটার নাম পরিবর্তন করেছেন বা নথি সংগ্রহে সমস্যার মুখোমুখি। সমালোচকরা সম্ভাব্য ভোটার বর্জনের ঝুঁকি উল্লেখ করছেন, আর সমর্থকরা নিরাপদ নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।

পরবর্তী সপ্তাহে সেনেটের আলোচনা ও সংশোধনী প্রস্তাবের দিকে নজর থাকবে। যদি আইনটি সেনেটে অনুমোদিত হয়, তবে তা যুক্তরাষ্ট্রের ভোটার আইডি নীতিতে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments