16 C
Dhaka
Friday, February 13, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ভোটজয় পরেও আনন্দমিছিল না করে ধর্মীয় দোয়া আয়োজনের সিদ্ধান্ত...

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ভোটজয় পরেও আনন্দমিছিল না করে ধর্মীয় দোয়া আয়োজনের সিদ্ধান্ত জানাল

দ্বিতীয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি বহু আসনে জয়লাভের পরেও কোনো আনন্দমিছিল বা সভা না করার সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেছে। এই সিদ্ধান্তটি বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে প্রকাশিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিটি দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এবং এতে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও আহ্বান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। রিজভী উল্লেখ করেন, নির্বাচনী বিজয়কে সম্মান জানিয়ে দলটি জনসমাবেশের পরিবর্তে ধর্মীয় দোয়া কার্যক্রমে মনোনিবেশ করবে।

তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি বিশাল সংখ্যক ভোটে জয়লাভ করে, ফলে পার্টির নেতৃত্ব দেশের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছে। বিজয়ী প্রার্থীদের সংখ্যা ও জয়লাভের বিশদ তথ্য যদিও প্রকাশিত হয়নি, তবে পার্টি এই জয়কে দেশের উন্নয়নের জন্য কাজে লাগানোর প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামীকাল (১৩ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার) জুমা নামাজের পর দেশব্যাপী মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। এই দোয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের সমৃদ্ধি কামনা করা হবে।

দোয়া অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য দলটির সকল স্তরের নেতাকর্মী, সংগঠক ও সাধারণ সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে, ঢাকাসহ প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় মসজিদে সমবেত হয়ে এই দোয়া সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়াও, একই সময়ে দেশের মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডা সহ অন্যান্য উপাসনালয়গুলোতে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষদেরকে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এই আহ্বানটি বহুমুখী ধর্মীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, বিশাল ভোটে জয়লাভের পরেও কোনো আনন্দমিছিল বা রাজনৈতিক সভা আয়োজন করা হবে না। পার্টি এই সিদ্ধান্তকে দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষার একটি পদক্ষেপ হিসেবে উপস্থাপন করেছে।

দলটির এই পদক্ষেপের পেছনে নিরাপত্তা উদ্বেগ, জনস্বাস্থ্যের দিক এবং রাজনৈতিক শালীনতা রক্ষার ইচ্ছা থাকতে পারে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, তবে পার্টি নিজে এই বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা প্রদান করেনি।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা উল্লেখ করছেন, এই ধরনের ধর্মীয় দোয়া আয়োজনের মাধ্যমে দলটি জনমতকে সান্ত্বনা ও সংহতির দিকে মোড়ানোর চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে, বিরোধী দলগুলোর কাছ থেকে এই পদক্ষেপের প্রতি ইতিবাচক বা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া কী হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।

প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকা শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের কাছ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে নির্বাচনের পরবর্তী পর্যায়ে পার্টিগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর এই সিদ্ধান্তের প্রভাব দেখা যাবে।

সামগ্রিকভাবে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ভোটজয়কে ধর্মীয় দোয়া ও সমবেত প্রার্থনার মাধ্যমে উদযাপন করার এই পরিকল্পনা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন একটি মাত্রা যোগ করেছে। আগামী দিনগুলোতে দোয়া কার্যক্রমের ফলাফল এবং এর সামাজিক-রাজনৈতিক প্রভাব পর্যবেক্ষণ করা হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments