17 C
Dhaka
Friday, February 13, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনবেলা রামসি ‘সানি ড্যান্সার’ ছবিতে ছয় সপ্তাহের সেরা সময়ের কথা জানালেন

বেলা রামসি ‘সানি ড্যান্সার’ ছবিতে ছয় সপ্তাহের সেরা সময়ের কথা জানালেন

বেলা রামসি, ২২ বছর বয়সী ব্রিটিশ অভিনেত্রী, গ্রীষ্মের শিবিরে বসবাসরত শিশুরা নিয়ে নির্মিত ‘সানি ড্যান্সার’ ছবির শুটিং শেষ করে বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে বিশ্বপ্রদর্শনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ছবিটি গ্যোর্জ জ্যাক্সের পরিচালনায়, লিউকেমিয়া থেকে মুক্তি পেয়েছে এমন আইভি নামের মেয়ের গল্প তুলে ধরে, যাকে তার বাবা-মা ‘কেমো ক্যাম্প’ এ পাঠায়।

শুটিংয়ের আগে রামসি এই প্রকল্পের স্ক্রিপ্ট পেয়ে প্রথমে সন্দেহের মুখে ছিলেন। বড় বড় শোতে নজর কেড়ে নেওয়া চরিত্রে কাজ করার পর, তিনি এমন একটি গল্পে জড়াতে চাইবেন না যেখানে অতিরিক্ত আবেগপ্রবণতা এবং অতিরিক্ত নাটকীয়তা থাকতে পারে বলে ভয় পেয়েছিলেন।

প্রাথমিকভাবে রামসির মনে ছিল, ‘এই ছবিটা হয়তো শুধু চিজি হবে, কোনো গভীরতা থাকবে না’। তিনি ইমেইল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজের মধ্যে একটি অস্বস্তিকর পূর্বাভাস গড়ে তুলেছিলেন, যা তাকে ছবিটা নিয়ে কাজ করা থেকে বিরত রাখতে পারত।

তবে শুটিংয়ের সময় জ্যাক্সের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট হয়ে এলে রামসির উদ্বেগ দ্রুত দূর হয়ে যায়। পরিচালক ছবিটিকে কেবল রোগের ওপর নয়, বরং তরুণ বয়সের জটিলতা ও স্বপ্নের অনুসন্ধান হিসেবে গড়ে তুলেছেন, যা রামসির নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

‘সানি ড্যান্সার’ একটি কোমল কিশোর-কিশোরীর গল্প হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে, যেখানে ক্যান্সারকে পটভূমি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, তবে মূল ফোকাস হল চরিত্রগুলোর বন্ধুত্ব, আত্ম-অন্বেষণ এবং প্রথমবারের মতো বয়সের স্বাদ নেওয়া। রামসি বলেন, এই চরিত্রে অভিনয় করার মাধ্যমে তিনি নিজের হারিয়ে যাওয়া কিশোরবয়সের কিছুটা পুনরুদ্ধার করতে পেরেছেন।

রামসি ১১ বছর বয়স থেকে ক্যামেরার সামনে ছিলেন, তাই তার শৈশবের বেশিরভাগ সময় কাজের ব্যস্ততায় কাটে। ‘সানি ড্যান্সার’ তাকে সেই সময়ের অভাব পূরণ করার সুযোগ দিয়েছে, যেখানে তিনি আইভি চরিত্রের মাধ্যমে নিজের অতীতের অনুপস্থিত কিশোরবয়সের অনুভূতি পুনরায় অনুভব করতে পেরেছেন।

অভিনেত্রীর ক্যারিয়ার শুরু হয় ‘গেম অফ থ্রোনস’ সিরিজে লেডি লাইয়ানা মরমন্টের দৃঢ় চরিত্রে, যা তাকে আন্তর্জাতিক পরিচিতি এনে দেয়। পরবর্তীতে তিনি এইচবিও-র ‘দ্য লাস্ট অব ইউস’ গেমের ভিত্তিতে তৈরি সিরিজে এলি চরিত্রে অভিনয় করে সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেন।

এই দুইটি উল্লেখযোগ্য কাজের পরেও রামসি স্বীকার করেন, শুটিংয়ের সময় তিনি কখনও কখনও শ্বাসরুদ্ধ বোধ করতেন, বিশেষ করে স্কটল্যান্ডের বসন্তের ঠাণ্ডা বাতাসে কাজ করার সময়। তবে শুটিং টিমের সমর্থন এবং দৃশ্যের স্বাভাবিকতা তাকে ধীরে ধীরে স্বস্তি দেয়।

‘সানি ড্যান্সার’ ছবির বিশ্বপ্রদর্শনী বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে রামসি এবং জ্যাক্স উভয়ই ছবির মূল বার্তা ও শিল্পগত দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন। উৎসবে ছবিটি দর্শকদের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে, বিশেষ করে তরুণ দর্শকদের মধ্যে এর সৎ ও হৃদয়স্পর্শী উপস্থাপনাকে প্রশংসা করা হয়েছে।

রামসির মতে, এই ছয় সপ্তাহের শুটিং অভিজ্ঞতা তার জীবনের অন্যতম সেরা সময় হিসেবে রয়ে গেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ছবির মাধ্যমে তিনি কেবল একটি চরিত্রে রূপান্তরিত হননি, বরং নিজের অতীতের কিছুটা পূরণ করতে পেরেছেন, যা তার ভবিষ্যৎ প্রকল্পের জন্য নতুন দৃষ্টিভঙ্গি খুলে দিয়েছে।

‘সানি ড্যান্সার’ শুটিং শেষ হওয়ার পর রামসি নতুন চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুত, তবে তিনি এই অভিজ্ঞতাকে তার ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে গণ্য করছেন। ছবির মাধ্যমে তিনি যে ব্যক্তিগত ও পেশাগত বিকাশ অর্জন করেছেন, তা ভবিষ্যতে তার কাজের গুণমান ও গভীরতায় প্রভাব ফেলবে বলে তিনি আশাবাদী।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments