লখনউ শহরে নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকি ‘রাত একালী হাই’ সিক্যুয়েলের শ্যুটিং শুরু করেছে। এই প্রকল্পটি ২০২০ সালে নেটফ্লিক্সে প্রকাশিত মূল চলচ্চিত্রের ধারাবাহিক হিসেবে পরিকল্পিত। সিদ্দিকি পুনরায় একই গোয়েন্দা চরিত্রে অভিনয় করবেন, যা দর্শকদের নতুন রহস্যের প্রত্যাশা জাগিয়ে তুলছে।
প্রথম অংশটি নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়ার পর সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করে এবং উচ্চপ্রোফাইল হত্যাকাণ্ডের তদন্তকে কেন্দ্র করে এক অনন্য অপরাধ থ্রিলার হিসেবে স্বীকৃত হয়। ছবির গাঢ় পরিবেশ, তীক্ষ্ণ সংলাপ এবং সিদ্দিকির সূক্ষ্ম অভিনয় শৈলী দর্শকদের মুগ্ধতা বাড়িয়ে দেয়। এই সাফল্যই সিক্যুয়েলের জন্য ভিত্তি স্থাপন করেছে।
সিদ্দিকি মূল ছবিতে একজন বিচলিত পুলিশ অফিসার হিসেবে কাজ করছিলেন, যার তদন্ত পদ্ধতি ও নৈতিক দ্বন্দ্ব গল্পের মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছিল। তার চরিত্রের গভীরতা ও মানবিক দিকগুলোকে তিনি নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করে সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেন। সিক্যুয়েলে একই চরিত্রের পুনরাবৃত্তি দর্শকদের জন্য নতুন স্তরের রহস্য উন্মোচনের সম্ভাবনা তৈরি করে।
লখনউয়ের ঐতিহাসিক স্থাপনা ও আধুনিক রাস্তাগুলোকে পটভূমি করে শ্যুটিং চলমান, যেখানে স্থানীয় দল ও প্রযুক্তিগত কর্মীরা সমন্বয় করে কাজ করছেন। শ্যুটিং সময়সূচি অনুযায়ী প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা দৃশ্য ধারণ করা হয়, এবং দলটি গোপনীয়তা বজায় রাখতে কঠোর নিয়ম মেনে চলছে। এই শহরের পরিবেশ গল্পের মেজাজের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় পরিচালক বিশেষভাবে লখনউকে বেছে নিয়েছেন।
শ্যুটিংয়ের মাঝামাঝি সময়ে ২৬ জানুয়ারি রিপাবলিক ডে উপলক্ষে সিদ্দিকি ও কাস্ট সদস্যরা একত্রে উদযাপন করেন। তারা ঐতিহ্যবাহী খাবার ভাগ করে নেন এবং ছোটো অনুষ্ঠান দিয়ে দিনটি স্মরণীয় করে তোলেন। ব্যস্ত সময়সূচি সত্ত্বেও এই মুহূর্তটি দলের মনোবল বাড়িয়ে দেয় এবং শ্যুটিংয়ের পরিবেশকে আরও সজীব করে।
শ্যুটিং শেষের পর সিদ্দিকি ম্যাডক ফিল্মসের নতুন প্রকল্প ‘থাম্মা’ তে কাজ শুরু করবেন বলে জানানো হয়েছে। এই চলচ্চিত্রের কাহিনী ও চরিত্রের বিবরণ এখনো প্রকাশিত হয়নি, তবে প্রযোজকরা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে এটি একটি স্বতন্ত্র ও চ্যালেঞ্জিং ভূমিকা হবে। সিদ্দিকির বহুমুখী অভিনয় দক্ষতা এই প্রকল্পে নতুন দিক উন্মোচন করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
‘থাম্মা’ সম্পর্কে তথ্য সীমিত থাকলেও, চলচ্চিত্রটি কন্টেন্ট-ড্রিভেন সাইনের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং উচ্চমানের স্ক্রিপ্টের ওপর ভিত্তি করে



