ইলেকশন কমিশন (ইসিসি) আজ সন্ধ্যায় প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে, আগামীকাল জুমা নামাজের পর দেশের সব মসজিদে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রার্থনা শান্তি, সমৃদ্ধি এবং চলমান উন্নয়নের জন্য করা হবে বলে কমিশন উল্লেখ করেছে।
প্রকাশনায় আরও বলা হয়েছে যে, মসজিদের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মীয় স্থানে থেকেও উপযুক্ত সময়ে প্রার্থনা করার অনুরোধ করা হয়েছে। এভাবে সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়কে একত্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিটি আজ সন্ধ্যায় ইসিসি’র পাবলিক রিলেশনস ডিরেক্টর রুহুল আমিন মল্লিকের স্বাক্ষরে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি এই উদ্যোগের পেছনের উদ্দেশ্য এবং গুরুত্ব সংক্ষেপে তুলে ধরেছেন।
বিবৃতিতে ইসিসি সকল রাজনৈতিক দল, প্রার্থীরা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, নির্বাচন কর্মকর্তা, পর্যবেক্ষক, সাংবাদিক এবং ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। তারা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে।
কমিশন উল্লেখ করেছে যে, এই সহযোগিতা একটি মুক্ত, ন্যায়সঙ্গত এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিবেশ বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের পরিবেশ নিশ্চিত করা নির্বাচনের স্বচ্ছতা এবং জনগণের আস্থা বাড়ায়।
নির্বাচনের আগে এই ধরনের ধর্মীয় সমাবেশের আহ্বান দেশের সামাজিক সাদৃশ্য বজায় রাখতে সহায়ক বলে ধারণা করা হয়। বিশেষ করে যখন রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়তে পারে, তখন ধর্মীয় নেতাদের সমর্থন শান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ইসিসি পূর্বে একই ধরনের প্রার্থনা আহ্বান করে আসছে, যা বিভিন্ন ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতা বাড়াতে সহায়তা করেছে। এই ধারাবাহিকতা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থা জোরদার করে।
কয়েকটি প্রধান রাজনৈতিক দল এই আহ্বানকে স্বাগত জানিয়ে তাদের সমর্থন প্রকাশ করেছে। তারা উল্লেখ করেছে যে, ধর্মীয় সমাবেশের মাধ্যমে সামাজিক সংহতি ও শান্তি বজায় রাখা সম্ভব।
কমিশন ভবিষ্যতে ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে এই ধরনের উদ্যোগ চালিয়ে যাবে এবং প্রার্থনা অনুষ্ঠানের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে। এছাড়া, নির্বাচনের সময়কালে কোনো অশান্তি সৃষ্টি না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হবে।
সারসংক্ষেপে, ইসিসি’র এই বিশেষ প্রার্থনা আহ্বান দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়কে একত্রিত করে শান্তি ও উন্নয়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চায়, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিচালনায় সহায়ক হবে।



