19 C
Dhaka
Friday, February 13, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিজামায়াত-এ-ইসলামি জোট ১৩তম সংসদ নির্বাচনকে উৎকৃষ্ট বলে প্রশংসা, বিশাল জয় প্রত্যাশা

জামায়াত-এ-ইসলামি জোট ১৩তম সংসদ নির্বাচনকে উৎকৃষ্ট বলে প্রশংসা, বিশাল জয় প্রত্যাশা

ঢাকা, ১২ ফেব্রুয়ারি – জামায়াত-এ-ইসলামি নেতৃত্বাধীন ১১টি দলের জোট ১৩তম সংসদ নির্বাচনের ভোটদান প্রক্রিয়াকে “উৎকৃষ্ট” বলে মূল্যায়ন করেছে এবং বিশাল জয় অর্জনের আশাবাদ প্রকাশ করেছে। এই মন্তব্যগুলো আজ সন্ধ্যা ৫:৩০ টায় মঘবাজারে জামায়াত-এ-ইসলামি সদর দফতরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জোটের পক্ষ থেকে জামায়াত-এ-ইসলামি সহকারী সচিব সাধারণ আহসানুল মাহবুব জুবায়ের উপস্থিত ছিলেন। তিনি ভোটের সময় নাগরিকদের স্বয়ংপ্রণোদিতভাবে অংশগ্রহণের সংখ্যা উল্লেখ করে, পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় পরিবেশটি উল্লাসপূর্ণ, শান্তিপূর্ণ এবং অংশগ্রহণমূলক ছিল বলে মন্তব্য করেন।

জুবায়ের মতে, ভোটদান প্রক্রিয়া দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে একটি মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে এবং ফলাফল দ্রুত ঘোষিত হলে জোট তা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। তিনি ফলাফলের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় জোটের সকল সদস্যের ধৈর্য ও সতর্কতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

ভোটদান সকাল ৭:৩০ টায় শুরু হয়ে বিকেল ৪:৩০ টা পর্যন্ত কোনো বাধা ছাড়াই চলেছে। একই সময়ে একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা নির্বাচনের সঙ্গে সমান্তরালভাবে পরিচালিত হয়েছে।

মতদাতা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ২:০০ টা পর্যন্ত দেশের ৪৩,০০০ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩৬,০০০ কেন্দ্রে প্রায় ৪৮ শতাংশ ভোট দাখিল হয়েছে। তবে চূড়ান্ত ভোটদান হার নির্ধারণে এখনও কিছু সময় লাগবে।

ভোটের দিন কোনো বড় বিশৃঙ্খলা না ঘটলেও, কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনার রিপোর্ট পাওয়া গেছে। নির্বাচনের সময় চারজন নাগরিকের মৃত্যু ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে, যদিও এই ঘটনাগুলো বৃহৎ মাত্রার হিংসা হিসেবে বিবেচিত হয়নি।

জোটের সদস্য পার্টিগুলোর মধ্যে রয়েছে জাতীয় নাগরিক দল, বাংলাদেশ খিলাফত মজলিস, খিলাফত মজলিস, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি, অমর বাংলাদেশ পার্টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক দল, বাংলাদেশ খিলাফত আন্দোলন এবং বাংলাদেশ লেবার পার্টি।

এই পার্টিগুলোর প্রতিনিধিরা সকলেই আজকের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এবং জোটের সমন্বিত অবস্থানকে পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জোটের প্রধান লক্ষ্য হল সর্বোচ্চ সংখ্যক আসন জয় করা এবং পার্টির রাজনৈতিক প্রভাবকে শক্তিশালী করা। ফলাফল ঘোষণার পর জোটের নেতৃত্বের অধীনে গঠিত সরকার গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে বিশ্লেষকরা ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু করেছে।

এদিকে, নির্বাচন কমিশন ফলাফলের স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু রাখবে এবং ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করবে।

সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে জোটের প্রতিনিধিরা ভোটের ফলাফল দ্রুত জানার প্রত্যাশা প্রকাশ করে, পাশাপাশি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু পরিচালনা বজায় রাখতে সকল ধরণের অনিয়মের প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টিপাতের আহ্বান জানিয়েছেন।

এই নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে, কারণ জোটের বিশাল জয় প্রত্যাশা এবং ভোটদান প্রক্রিয়ার ইতিবাচক মূল্যায়ন ভবিষ্যৎ সরকারের গঠন ও নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments