21 C
Dhaka
Thursday, February 12, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিদুপুর ২টা পর্যন্ত ৪৮৬টি ভোট কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, জালভোট ৫৯টি রেকর্ড

দুপুর ২টা পর্যন্ত ৪৮৬টি ভোট কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, জালভোট ৫৯টি রেকর্ড

দ্বিতীয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ চলাকালীন, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টা পর্যন্ত দেশের ৪৮৬টি ভোট কেন্দ্রে বিভিন্ন ধরণের বিশৃঙ্খলা ঘটেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি সমন্বয় সেল এই তথ্য নিশ্চিত করেছে, যা নির্বাচনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে জরুরি সতর্কতা প্রদান করে।

সমন্বয় সেল জানায়, নির্বাচনের সময় পোলিং এজেন্টদেরকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে ১৪টি স্থানে। এই ধরনের পদক্ষেপ সাধারণত নিরাপত্তা হুমকি বা অশান্তি মোকাবিলার জন্য নেওয়া হয় এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতায় প্রভাব ফেলতে পারে।

সামগ্রিকভাবে, দেশের সব কেন্দ্রের মধ্যে ৪৮৬টি ভোট কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এই সংখ্যা নির্বাচনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জকে তুলে ধরে এবং তদনুযায়ী দ্রুত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে।

প্রতিযোগী দলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ১৩৫টি স্থানে রিপোর্ট করা হয়েছে। এই সংঘর্ষে প্রায়শই শারীরিক ঝগড়া এবং অস্থায়ী অশান্তি দেখা যায়, যা ভোটারদের ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে।

ব্যালট বাক্সের চুরি তিনটি পৃথক স্থানে ঘটেছে। চুরি করা বাক্সের পুনরুদ্ধার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি তৎকালীন পদক্ষেপ নিয়েছে।

জালভোটের ঘটনা ৫৯টি ভোট কেন্দ্রে রেকর্ড করা হয়েছে। জালভোটের মাধ্যমে ভোটের ফলাফল বিকৃত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে, ফলে নির্বাচনী ফলাফলকে প্রশ্নের মুখে ফেলা হয়।

ছয়জন প্রার্থীর ওপর শারীরিক আক্রমণ ঘটেছে। আক্রমণের ফলে কিছু প্রার্থী আহত হয়েছেন, যা নির্বাচনী পরিবেশের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে।

ভোট দিতে বাধা দেওয়ার ঘটনা ১৮টি স্থানে নথিভুক্ত হয়েছে। এই ধরনের বাধা ভোটারদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে এবং নির্বাচনের বৈধতাকে ক্ষুণ্ণ করে।

অগ্নিসংযোগের ঘটনা চারটি স্থানে ঘটেছে, যেখানে নির্বাচনী স্থাপনা বা ভোটারদের আশেপাশে আগুন জ্বালানো হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের ফলে সাময়িকভাবে ভোটদান প্রক্রিয়া বন্ধ হতে পারে এবং নিরাপত্তা কর্মীদের অতিরিক্ত চাপ বাড়ে।

নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অবহেলার ঘটনা ৩৩টি স্থানে রিপোর্ট করা হয়েছে। দায়িত্বশীলদের অযথা দেরি বা অপ্রতুল ব্যবস্থা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা হ্রাস করে।

এই বিশাল পরিসরের বিশৃঙ্খলা নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ত্বরিত তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দিকে ধাবিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে, ভবিষ্যৎ ভোটদান প্রক্রিয়ার নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, এই ঘটনাগুলি নির্বাচন প্রক্রিয়ার ন্যায়পরায়ণতা ও নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উত্থাপন করেছে এবং দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে প্রভাব ফেলতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপই এই উদ্বেগ দূর করার মূল চাবিকাঠি হবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments