21 C
Dhaka
Thursday, February 12, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিচট্টগ্রাম‑৯ ভোটে ফারুক‑ই‑আজমের মন্তব্য: জুলাই অভ্যুত্থানের শিহরণে স্বপ্ন পূর্ণ হবে

চট্টগ্রাম‑৯ ভোটে ফারুক‑ই‑আজমের মন্তব্য: জুলাই অভ্যুত্থানের শিহরণে স্বপ্ন পূর্ণ হবে

মুক্তিযুদ্ধ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক‑ই‑আজম চট্টগ্রাম‑৯ (কোতোয়ালি‑বাকলিয়া) নির্বাচনী কেন্দ্রের ভোটদান শেষে জানিয়েছেন, জুলাই ১৯৭৫‑এর অভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া তরুণ বীর সন্তানদের স্বপ্ন এখন দেশের সর্বজনীন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হতে চলেছে।

আজকের ভোটগ্রহণে নাগরিকদের অংশগ্রহণকে তিনি ঈদ‑উৎসবের মতো উল্লাসময় পরিবেশে দেখা গিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। সব বয়সের মানুষ একসঙ্গে ভোটের মঞ্চে দাঁড়িয়ে, ভোটের আনন্দকে উৎসবের রঙে রাঙিয়ে তুলেছে।

বালিকা স্কুল ও কলেজের ঘরে ভোটাধিকার ব্যবহার করা নাগরিকদের দৃশ্যকে তিনি “জাতীয় ঐক্যের প্রতীক” বলে উল্লেখ করেন। ভোটদান প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্বাচনী কর্মী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সক্রিয় সহযোগিতা লক্ষ্য করা গিয়েছে।

ফারুক‑ই‑আজমের মতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের এই অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ভোটগ্রহণ শেষ, ফলাফল ঘোষিত এবং নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতা হস্তান্তর পর্যন্ত যদি এই শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় থাকে, তবে তা বাংলাদেশ সরকারের আন্তর্জাতিক চিত্রকে পুনরুজ্জীবিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চট্টগ্রাম জেলার অন্যান্য আসন‑চট্টগ্রাম‑৫ (হাটহাজারী‑বায়েজিদ), চট্টগ্রাম‑৪ (ফটিকছড়ি), চট্টগ্রাম‑৬ (রাউজান) ও চট্টগ্রাম‑৭ (রাঙ্গুনিয়া) পরিদর্শনকালে তিনি একই রকম শান্তিপূর্ণ ও উৎসাহব্যঞ্জক পরিবেশের সাক্ষী হয়েছেন। এই অভিজ্ঞতা তিনি “গণতন্ত্রপ্রেমী সকলের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস” বলে বর্ণনা করেছেন।

অন্তর্বর্তী সরকার, যা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত, তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই সরকারের লক্ষ্যকে তিনি “অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন পরিচালনা” হিসেবে তুলে ধরেছেন।

ফারুক‑ই‑আজমের বিশ্লেষণে, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সর্বোপরি দেশের নাগরিকদের সমন্বিত সহযোগিতা ছাড়া এই লক্ষ্য অর্জন কঠিন। তিনি সকল পক্ষকে সমন্বিত কাজের আহ্বান জানিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

বৈশ্বিক পর্যবেক্ষকরা বাংলাদেশের এই নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে “শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছ” হিসেবে মূল্যায়ন করলে, আন্তর্জাতিক আর্থিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতা বাড়তে পারে বলে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। বিশেষত, জাতিসংঘের মনোযোগের ফলে মানবিক ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

স্থানীয় ভোটকেন্দ্রের কর্মীরা ভোটারদের স্বাগত জানাতে ঐতিহ্যবাহী খাবার ও সঙ্গীতের ব্যবস্থা করেন, যা ভোটদানকে সামাজিক সমাবেশের রূপে উপস্থাপন করেছে। এই ধরনের সাংস্কৃতিক সংযোজন ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়ক হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ফারুক‑ই‑আজমের মতে, দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক ঐক্য বজায় রাখতে নির্বাচনের পর ফলাফল স্বীকার করা এবং শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করা অপরিহার্য। তিনি ভবিষ্যতে নির্বাচনের ফলাফলকে ভিত্তি করে নীতি নির্ধারণে জনগণের অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

সারসংক্ষেপে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এই পর্যায়ে দেশের নাগরিক, রাজনৈতিক দল, প্রশাসন ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমন্বিত প্রচেষ্টা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চিত্রকে পুনর্গঠন করতে সহায়তা করবে, এবং জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments