26 C
Dhaka
Thursday, February 12, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিকুমিল্লা-৮ ও অন্যান্য আসনে অনিয়মের অভিযোগে জামায়াত-এ-ইসলামি ভোট স্থগিতের দাবি

কুমিল্লা-৮ ও অন্যান্য আসনে অনিয়মের অভিযোগে জামায়াত-এ-ইসলামি ভোট স্থগিতের দাবি

জামায়াত-এ-ইসলামি কুমিল্লা-৮, শরীয়তপুর-২ ও পটুয়াখালী-১ সহ কয়েকটি আসনে ভোটগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে ভোট স্থগিতের দাবি জানিয়েছে। দলটি আজ বিকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে নির্বাচনী ভবনে বৈঠক করে এই দাবি পুনরায় জোর দিয়েছে।

দলীয় প্রতিনিধিরা উল্লেখ করেন, কুমিল্লা-৮ আসনের ৩০টি ভোটকেন্দ্র থেকে তাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে এবং রিটার্নিং অফিসারকে বিষয়টি জানিয়েও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ ধারা অনুযায়ী ভোটের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা উচিত ছিল, তবে দলটি দাবি করে যে প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি হয়েছে।

নোয়াখালী-৬ আসনে গতরাত থেকে রক্তাক্ত সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেছে বলে দলটি সতর্কতা প্রকাশ করেছে। স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা জানিয়েছেন, ভোটারদের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর হস্তক্ষেপের অভাব রয়েছে। এই পরিস্থিতি ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে বলে দলটি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

ঝালকাঠি ও শরীয়তপুরের কিছু ভোটকেন্দ্রেও অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে। দলীয় এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে এবং ভোটারদের প্রবেশে বাধা সৃষ্টি হয়েছে বলে দলটি জানিয়েছে। এসব কেন্দ্রে ভোটের স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় ফলাফলকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে।

অতিরিক্তভাবে, এবি পার্টির সভাপতি মজিবুর রহমানের গাড়ি বহরে হামলার খবরও প্রকাশ পেয়েছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিতদের মতে, গাড়ি নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি দলীয় কর্মীদের ওপর হুমকি জানানো হয়েছিল। এই ঘটনা রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে।

আজ বিকেলে জামায়াত-এ-ইসলামির নেতৃত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধিদল নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। বৈঠকে দলীয় নেতারা ভোটকেন্দ্রের অনিয়মের বিস্তারিত তালিকা উপস্থাপন করে দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান জানায়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বৈঠকে অভিযোগগুলো শোনার পর বিষয়টি তদন্তের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেন। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচন কমিশন সব সময় স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সচেষ্ট এবং প্রাসঙ্গিক অভিযোগের যথাযথ তদন্ত হবে।

দলটি রিটার্নিং অফিসারকে অবহেলা করার পাশাপাশি ভোটকেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে ভোট স্থগিতের দাবি করে। তারা আরও জোর দিয়ে বলেন, অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া পর্যন্ত ভোটের ফলাফল স্বীকৃত করা যাবে না।

এই দাবির ফলে নির্বাচনী সময়সূচিতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। যদি কমিশন ভোট স্থগিতের নির্দেশ দেয়, তবে সংশ্লিষ্ট আসনে পুনরায় ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা নিতে হবে, যা নির্বাচনের সমগ্র সময়সীমাকে প্রভাবিত করতে পারে।

অন্য দলগুলোরও এই বিষয়টি নজরে এসেছে। ১১ দলীয় ঐক্যের অংশ হিসেবে জামায়াত-এ-ইসলামি যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, তা অন্যান্য জোটের সদস্যদের মধ্যে সমর্থন পেতে পারে। তবে কিছু দল এখনও প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক চলাচল বজায় রাখতে জোর দিচ্ছে।

পরবর্তী ধাপে নির্বাচন কমিশন কীভাবে পদক্ষেপ নেবে, তা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সূচক হবে। যদি দ্রুত এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হয়, তবে নির্বাচনের বৈধতা বজায় থাকবে; অন্যথায়, ভোটের ফলাফলে ব্যাপক বিতর্কের সম্ভাবনা রয়ে যাবে।

৯৬/১০০ ২টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলোবিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments